The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মহিলাদের জন্য অ্যাপভিত্তিক বাহন শাটল ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে!

রাজধানীতে বর্তমানে ৬টি রুটে মোট ১৮টি মাইক্রোবাসে সেবা দেওয়া হচ্ছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মহিলাদের জন্য রাজধানীতে চলাচল নিরাপদ করতে অ্যাপভিত্তিক পরিবহন সেবা দিতে চলেছে শাটল। এই পরিবহনকে মহিলাদের জন্য শতভাগ নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ বলেও দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মহিলাদের জন্য অ্যাপভিত্তিক বাহন শাটল ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে! 1

আর এই শাটল নামের সেবাটি পাওয়া যাবে একটি অ্যাপের মাধ্যমে। যেখানে শুধুমাত্র মহিলা যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান হতে নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট রুটে পিক-আপ ও ড্রপ-অফ সেবা দিবে এই শাটল।

নতু এই শাটলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী রিয়াসাত চৌধুরী বলেছেন, এই সেবা বর্তমানে রাজধানীর ৬টি রুটে চালু রয়েছে। ধীরে ধীরে রুট সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। এই সেবা নেওয়ার জন্য গুগল প্লে স্টোর হতে অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর আমরা সে নিবন্ধনকারী নারীর তথ্য যাচাই করে থাকি। কারণ হলো অনেক সময় পুরুষরাও নারীর নামে নিবন্ধন করতে পারে। তবে আমরা সেই সুযোগ দেবো না। তাই সেটি যাচাই করে নিবো। এরপর তারা সেবাটি ব্যবহার করতে পারবেন।

রাজধানীতে বর্তমানে ৬টি রুটে মোট ১৮টি মাইক্রোবাসে সেবা দেওয়া হচ্ছে। যেখানে শাটল অ্যাপের মাধ্যমে মহিলারা রাইড বুক করতে পারেন।

প্রতি ট্রিপেই একজন করে ম্যানেজার থাকেন। তিনি সেই ট্রিপের সবকিছু দেখভাল করেন। ম্যানেজার এবং গাড়ির চালকের সব তথ্য অ্যাপে নিবন্ধন হয়ে থাকে। যে কারণে কোনো ধরনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কিছু থাকে না বলেও জানান রিয়াসাত চৌধুরী।

অ্যাপের মাধ্যমে মহিলারা তাদের যাত্রার সিঙ্গেল টিকিট কিংবা বান্ডেল টিকিট কিনতে পারেন। বান্ডেল টিকিটে বিশেষ ছাড়ও পাওয়া যাবে। শাটলে যাতায়াত করতে হলে উত্তরা হতে বসুন্ধরা সিঙ্গেল টিকিটের দাম ৬০ এবং বান্ডেল টিকিট ৫০০ টাকা দিতে হবে। মিরপুর হতে বসুন্ধরা সিঙ্গেল টিকিট ১০০ এবং বান্ডেল টিকিট ৯০০ টাকা। ধানমন্ডি হতে বসুন্ধরা সিঙ্গেল টিকিট ১২০ এবং বান্ডেল ১ হাজার টাকা। মোহাম্মদপুর হতে বসুন্ধরার ভাড়াও ধানমন্ডি হতে বসুন্ধরার সমান। ধানমন্ডি হতে গুলশান-১ সিঙ্গেল টিকিট ১০০ ও বান্ডেল ৯০০ টাকা এবং মিরপুর-মোহাম্মদপুর-গুলশান-১ সিঙ্গেল টিকিট ১০০ এবং বান্ডেল টিকিট ৯০০ টাকা।

গত বছর আগস্ট হতে মাত্র দুটি মাইক্রোবাসে এই সেবাটি শুরু করে শাটল। তারপর জনপ্রিয়তা পাওয়ায় এবং চাহিদা থাকার কারণে এখন সেবার পরিধি আরও বাড়ছে। শাটলের আরও দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা হলেন প্রধান পরিচালক কর্মকর্তা জাওয়াদ জাহাঙ্গীর এবং প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা শাহ সুফিয়ান মাহমুদ চৌধুরী।

Loading...