The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

৪০ হাজার বছর পরেও নেকড়েটি যেনো জীবন্ত!

সাইবেরিয়ার ইয়াকুতিয়া প্রদেশের তাইরেখতিয়াখ নদীর কাছে সম্প্রতি এমনই এক নেকড়ের মাথা পাওয়া গেছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আজকের যুগের নেকড়ের থেকে চেহারায় বেশ বড়। এক একটা দাঁত প্রায় ১৬ ইঞ্চির মতো লম্বা। প্রায় ৪০ হাজার বছর পূর্বে এই ধরনের অতিকায় নেকড়ে ঘুরে বেড়াতো রাশিয়ার বরফেমোড়া সাইবেরিয়া অঞ্চলে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো ৪০ হাজার বছর পরেও নেকড়েটি যেনো জীবন্ত!

৪০ হাজার বছর পরেও নেকড়েটি যেনো জীবন্ত! 1

সাইবেরিয়ার ইয়াকুতিয়া প্রদেশের তাইরেখতিয়াখ নদীর কাছে সম্প্রতি এমনই এক নেকড়ের মাথা পাওয়া গেছে। যা দেখে একেবারে জীবন্ত মনে হচ্ছে!

প্রাণীবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, বরফে চাপা পড়ে ছিল বলে নেকড়েটির মাথাটি এখনও অবিকৃত রয়েছে। লোম, দাঁত, জিভ, নেকড়ের শরীরের প্রায় সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গই অক্ষত। যে কারণে নেকড়েমুণ্ড নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা চালাতে কোনো রকম অসুবিধা হচ্ছে না গবেষকদের।

গবেষকরা জানিয়েছেন, প্লিইস্টোসিন যুগে এই ধরনের অতিকায় লোমশ প্রাণী দেখতে পাওয়া যেতো। তবে প্রাণীটি নেকড়ের কোন প্রজাতির তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি পুরুষ নেকড়ে না স্ত্রী নেকড়ে, তাও এখনও বলেননি বিজ্ঞানীরা।

ইয়াকুতিয়া অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সের ফনা ম্যামথ স্টাডিজের প্রধান আলবার্ট প্রোটোপোপোভ জানিয়েছেন যে, এই ধরনের জীবাশ্ম পূর্বে কখনও দেখা যায়নি। পূর্বে যেসব জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলো ছিলো মূলত নেকড়েশাবকদের। পূর্ণবয়স্ক নেকড়ের দেহের অংশ এই প্রথমবারের মতো পাওয়া গেলো।

প্রোটোপোপোভ আরও নিয়েছেন যে, মাথাটি নিয়ে রাশিয়া, সুইডেন এবং জাপানের বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে গবেষণার কাজ করছেন। অবশ্য ‘গেম অফ থ্রোনস’ টিভি সিরিজের কল্যাণে এই ধরনের নেকড়ের সঙ্গে অনেক আগেই পরিচিত হওয়া গেছে।

Loading...