The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ফেসঅ্যাপ ব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে!

ফেসঅ্যাপ ব্যবহারের শর্তাবলী সেই কথাই বলছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কয়েক দিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই নিজের বুড়ো বয়সের ছবি পোস্ট করেছেন। ফেসঅ্যাপ নামে একটি অ্যাপ ব্যবহার করে এই ধরনের ছবি তৈরি করা হচ্ছে। তাই ফেসঅ্যাপ ব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে!

ফেসঅ্যাপ ব্যবহার বিপদ ডেকে আনতে পারে! 1

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ব্যবহার করে এই কাজটি করছে জনপ্রিয় মোবাইল অ্যাপ। তবে ফেসঅ্যাপ ব্যবহার করে পরে বিপদ ডেকে আনতে পারে। ফেসঅ্যাপ ব্যবহারের শর্তাবলী সেই কথাই বলছে।

এনডিটিভির এক খবরে বলা হয়েছে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে যে কোনো মানুষের ছবিকেই এডিট করে দেবে ফেসঅ্যাপ। সেই কারণেই আবার জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছে এই মোবাইল অ্যাপটি। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস ডিভাইস হতে ব্যবহার করা সম্ভব এই অ্যাপ। ছবিতে বয়স কমানো কিংবা বাড়ানো ছাড়াও এই অ্যাপ ব্যবহার করে চুল ও দাঁড়ির কায়দাও বদল করা সম্ভব। স্মার্টফোন হতে যে কোনো ছবি নিজেদের সার্ভারে আপলোড করে এই ছবিটি এডিটিং এর কাজ করে থাকে ফেসঅ্যাপ। সেখানেই সন্দেহের সূত্রপাত ঘটেছে।

টুইটারে এলিজাবেথ পটস উইন্সটাইন নামে একজন নারী ফেসঅ্যাপ ব্যবহারের শর্তাবলী পোস্ট করে একটি টুইটও করেছেন। সেখানে যা লেখা রয়েছে তা পড়লে রীতিমতো আপনি চমকে যেতে পারেন।

ফেসঅ্যাপ ব্যবহারের শর্তাবলীতে লেখা রয়েছে যে, এই অ্যাপ ব্যবহার করলে আপনি কোম্পানির সার্ভারে আপলোড করা সকল ছবি, নিজের নাম, আপনি কী পছন্দ করেন না করেন, আপনার গলা এই সব তথ্য বাণিজ্যিক কারণে ব্যবহারের আনুমতি দিয়ে দিচ্ছেন।

ইউরোপের একাধিক দেশে ব্যক্তিগত তথ্য গ্রাহককে না জানিয়েই ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা বেআইনি। সেই ক্ষেত্রে ফেসঅ্যাপ যে দেশে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ বেআইনি নয়, সেই দেশে এই সব তথ্য পাঠিয়ে অন্য দেশের নিয়ম দেখিয়ে তথ্য সংগ্রহ চালিয়ে যাবে এই ফেসঅ্যাপ।

জানা গেছে, নিজের সব ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য ফেসঅ্যাপ-এর সঙ্গে ভাগ করে নিতে না চাইলেও এই অ্যাপ থেকে দূরে থাকাই ভালো। ইতিপূর্বেও একাধিক অ্যাপ এই ধরনের কাজ করে বেশ কয়েক কোটি মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। অনলাইন দুনিয়ায় এখন সব থেকে দামি জিনিসই হলো গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য। সেই তথ্য গ্রাহকের অজান্তে হাতিয়ে বিপুল অর্থ রোজগার করছে এই কোম্পানিগুলোর অসাধু ব্যক্তিরা।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও ২০১৭ সালে ভাইরাল হয়েছিল এই ফেসঅ্যাপ। তখনও এই অ্যাপকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। তাই মজার ছলে ফেসঅ্যাপ ব্যবহার করে আদতেও আপনি নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো? সেই বিষয়টি অবশ্যই মাথায় রাখুন।

Loading...