The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিমানের সিটে ঘুমাচ্ছেন স্ত্রী: স্বামী দাঁড়িয়ে ৬ ঘণ্টা!

কখনও কখনও এমন কিছু ঘটনা দেখে আমরা বিস্মিত হয়ে পড়ি। আজকের এই ঘটনাটিও তেমনই একটি ঘটনা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কখনও কখনও এমন কিছু ঘটনা দেখে আমরা বিস্মিত হয়ে পড়ি। আজকের এই ঘটনাটিও তেমনই একটি ঘটনা। স্বামী ৬ ঘণ্টা ধরে পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আর স্ত্রী বিমানের সিটে ঘুমাচ্ছেন!

বিমানের সিটে ঘুমাচ্ছেন স্ত্রী: স্বামী দাঁড়িয়ে ৬ ঘণ্টা! 1

কখনও কখনও এমন কিছু ঘটনা দেখে আমরা বিস্মিত হয়ে পড়ি। আজকের এই ঘটনাটিও তেমনই একটি ঘটনা। স্বামী ৬ ঘণ্টা ধরে পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন আর স্ত্রী বিমানের সিটে ঘুমাচ্ছেন!

স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক কতো খানি প্রগাঢ় হতে পারে তা এই দম্পতিকে দেখলেই বোঝা যাবে। সত্যিই এক নজির বলা যায় এই ঘটনাটিকে। আমাদের সমাজে দেখা যায় স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কতো রকম বাদ বিবাদ বা মান অভিমানের কথা। কিন্তু স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে যে সৃষ্টিকর্তা কতো মধুর একটা সম্পর্ক গড়ে দিয়েছেন তা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন হয় অনেক সময়। এর কারণ হলো আমরা সাধারণত যে ধরণের আচার- আচরণ দেখে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি তার সঙ্গে এমন ঘটনার মিল পাওয়া প্রায় দুষ্কর ব্যাপার। ঝগড়া- বিবাদ বা আরও কঠিক কঠিন সম্পর্ক আমরা সচরাচর দেখে থাকি। আর সে সব ঘটনা দেখে আমরা অনেক সময় বিস্মিত হয়ে যায়। কারণ সৃষ্টিকর্তার সেই জোড় সৃষ্টি রহস্য তখন মনে হয় ‌‘ভুল’। তবে মাঝে মধ্যে এমন কিছু ঘটনা আমাদের হৃদয়কে নাড়া দেয়। তখন আমরা সত্যিই বুঝতে পারি সৃষ্টিকর্তার সেই জোড় রহস্য মিথ্যে নয়। যেমনটি আমরা দেখলাম বিমানের এই দম্পতি যাত্রীর ক্ষেত্রে।

ভালোবাসার জন্য বহু স্বামী-স্ত্রীই একে অন্যের প্রতি অনেক ত্যাগ করতে দেখা যায়। তবে বিমানযাত্রায় স্ত্রীকে সিটে শুইয়ে টানা ৬ ঘণ্টা এভাবে দাঁড়িয়ে থাকার ঘটনা মনে হয় আগে আমরা কখনও দেখিনি। স্বামীর দাঁড়িয়ে থাকার সেই দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন ভাইরাল হয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দিয়েছে এমন একটি সুন্দর খবর। খবরে বলা হয়, বিমানের থ্রি সিটারে ঘুমাচ্ছেন স্ত্রী এবং বিমানে যাত্রী আসনের দুই সারির মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তার স্বামী। ছবিটি টুইটারে শেয়ার করেছেন কোর্টনি লি জনসন নামে জনৈক যাত্রী। এমন একটি ছবিসহ পোস্ট দেওয়ার পর সেটি অনলাইনে ভাইরাল হয়ে যায়।

জানা যায়, অনলাইনে ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই ওই ব্যক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। অনেকেই আবার ওই মহিলাকে মোটেও গালমন্দও করতে ছাড়েননি। অনেকেই আবার ছবিটির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

জনৈক ব্যক্তি লিখেছেন যে, একেই বলে প্রকৃত ভালোবাসা। তার পাল্টা জবাব হিসেবে একজন লিখেছেন, ওটা কোনও ভালোবাসার ছবিই নয়। এটি একটা স্বার্থপর মহিলার ছবি। ওই মহিলা কী স্বামীর কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাতে পারতো না?

তবে ঘটনা যায়ই ঘটুক না কেনো। একটি কথা বলা যায় যে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক আসলেও সৃষ্টিকর্তার এক আশির্বাদ। সেই সম্পর্ক কেও হয়তো অন্যদিকে নিয়ে যায়। কিন্তু প্রকৃত স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা মৃত্যু মুহূর্ত পর্যন্ত হয়ে থাকে। সেটিই হলো আসল কথা।

Loading...