The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

ময়ূরাক্ষী নদীতে ভ্রমণ

কানাডার গ্রীষ্ম বলতে যা বোঝানো হয়েছে, তার সঙ্গে কোনোভাবেই আমাদের দেশের গ্রীষ্মকে মেলানো সম্ভব না। এখানে গ্রীষ্মের সময় তাপমাত্রা কখনও আমাদের শীতকালের চেয়েও কম থাকে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভ্রমণ অনেকের কাছেই অত্যন্ত প্রিয় একটি বিষয়। কিন্তু সময় ও সুযোগের অভাবে তা হয়ে ওঠে না। যারা বিদেশে ভ্রমণ করেন তাদের জন্য আজ রয়েছে কানাডার একটি সুন্দর নদী ভ্রমণের কথা। আর এই নদীটি হলো ময়ুরাক্ষী নদী।

ময়ূরাক্ষী নদীতে ভ্রমণ 1

কানাডার গ্রীষ্ম বলতে যা বোঝানো হয়েছে, তার সঙ্গে কোনোভাবেই আমাদের দেশের গ্রীষ্মকে মেলানো সম্ভব না। এখানে গ্রীষ্মের সময় তাপমাত্রা কখনও আমাদের শীতকালের চেয়েও কম থাকে। তবে কানাডার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে গ্রীষ্মকালের কোনো তুলনাই নেই। এমনই এক গ্রীষ্মে পুরো পরিবারের সঙ্গে বেরিয়ে আসতে পারেন অ্যালবার্টার লেক লুইস দেখার জন্য।

ভ্যাঙ্কুভার শহর হতে ৮০০ কিমি দূরত্ব তো একদিনে পাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়। তাই মাঝপথে একদিন ক্যামলুপ্স নামক ছোট্ট একটি শহরে কাটিয়ে পরদিন আবার রওনা হতে পারেন লেক লুইসের দিকে। কানাডার মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় একটি ভ্যাকেশন স্পটই হলো এই লেক লুইস। কারণ এর মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। খুব ভোরে উঠেই রওনা হতে হবে। একবার পাহাড়ের গা বেয়ে; আরেকবার কয়েকটি পাহাড়ের মাঝে উপত্যকার ভেতর দিয়ে চলে যাওয়া পথের দু’ধারে ছবির মতোই সুন্দর সব দৃশ্য দেখতে পাবেন! এমন উঁচু পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তো একবার এমন ঘন কুয়াশা এসে ঘিরে ধরতে পারে যাতে করে আধ হাত সামনের রাস্তাও দেখা যাবে না। এর মধ্যে পার হতে হবে মাউন্ট রবসন। এই পরবতের কোলেই রয়েছে ছোট্ট একটি বিশ্রামাগার। সেখানে থেমে মাউন্ট রবসনের সামনে চালাতে পারেন কিছুক্ষণ ফটোসেশন পর্ব।

তারপর আবার যাত্রা শুরু করতে পারেন। প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা যাত্রা শেষে দেখা পাওয়া যাবে কানাডিয়ান রকি মাউন্টেইনস। এই রকির কোলেই হলো লেক লুইস। রকি মাউন্টেইনসের গ্লেসিয়ারের পানি হতেই এই হ্রদের উৎপত্তি। প্রথম দেখায় আমার মাথায় যে চিন্তাটি এলো আর তা হলো, হুমায়ূন আহমেদ তার গল্পের বইতে যে ময়ূরাক্ষী নদীর কথা বলেছেন ঠিক সেটি; যার পানি কিনা ময়ূরের চোখের চেয়েও অনেক স্বচ্ছ, এটিই কি তাহলে লেক লুইস? দুটি পাহাড়ের মাঝখানে যতোদূর চোখ যায় ঘন নীল রঙের স্বচ্ছ হ্রদ। কানাডায় এই যাবত দেখা সব জলাশয়ের পানিই হলো স্বচ্ছ, তবে এটি যেনো অন্য কিছু। পরে জানতে পারলাম এখানকার হ্রদগুলোতে গ্লেসিয়ারের পানির সঙ্গে ভেসে ভেসে আসে পাথরকণা, যেগুলো পানির নিচের বালুর সঙ্গে মিশে নীল রঙ ছাড়া বাকি সব রঙের আলোর সঙ্গে প্রতিফলন ঘটিয়ে থাকে। যার পানি মূলত ঘন নীল দেখায়। এই হ্রদটি শীতের মৌসুমে সম্পূর্ণ জমে যায়। ফ্রোজেন লেকে স্কেটিং করা কানাডিয়ানদের অনেক পছন্দের একটি বিনোদন।

হ্রদের ধারে অনেকক্ষণ হাঁটাহাঁটিও করতে পারবেন, বেশ কিছু ছবিও তুলতে পারবেন। একটা পাথরের ওপর বসে একটা পা একটু পানিতে ভিজিয়ে নিতে পারবেন, তাতে বেশ ভালো লাগবে। তবে সাবধান, পানি কিন্তু অনেক ঠাণ্ডা, তবুও সারা শরীরে যেনো কাঁপুনি ধরে যেতে পারে। একপাশে একটি বোটহাউস ও জেটিও রয়েছে। সেখান থেকে একটি ক্যান্যু ভাড়া করে ঘণ্টাখানেক হ্রদে ঘুরে বেড়াতে পারেন অনায়াসে। পাহাড়ের কাছ পর্যন্ত গিয়ে ফিরে আসতে পারে, তাতে বেশ ভালো লাগবে।

লেক লুইসের পাড়েই রয়েছে কানাডার বিখ্যাত প্রায় দুশো বছর পুরনো ফেয়ারমন্ট শাতো অন দ্যা লেক হোটেল। অনেকের কাছেই এটি বেমানান মনে হলেও, দু’শতাব্দী পুরনো ইংরেজদের তৈরি এই বিশাল ও রাজকীয় দালানটিকে একটি স্থাপত্য নিদর্শন বলা যাবে। আমার মতে, এটি লেক লুইসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি কোনো মতেই হ্রাস করেনি। দুপুরের খাবারটা এই হোটেলেরই একটি রেস্টুরেন্টে সেরে নিতে পারেন। রেস্টুরেন্টটিও হোটেলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খাঁটি ওয়েস্টার্ন ধাঁচে খাবার তৈরি করে। ঢুকলে মনে হবে যেনো সত্তর দশকের কোনো আমেরিকান মুভির একটি সেট! এখানে ঘোরাঘুরি করে আবার ফিরে যেতে পারবেন আপনার গন্তব্য স্থলে। এভাবে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলো আপনি খুব সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারবেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx