The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাড়ির আবর্জনার সঙ্গে ১৪ লাখ টাকাও ফেলে দিলেন!

১৪ লাখ টাকার পরিমাণ অর্থ ফেলে দেওয়ার মতো ঘটনাটি ঘটেছে ইংল্যান্ডে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা অনেকেই বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা এমন কি পুরনো কাপড়চোপড়ও ফেলে দেই। বিশেষ করে বাসা পরিবর্তন করার সময় এই কাজটি বেশি করা হয়ে থাকে। এমনই এক ঘটনা হলো বাড়ির আবর্জনার সঙ্গে ১৪ লাখ টাকাও ফেলে দিলেন এক ব্যক্তি!

বাড়ির আবর্জনার সঙ্গে ১৪ লাখ টাকাও ফেলে দিলেন! 1

ময়লা-আবর্জনা এমন কি পুরনো কাপড়চোপড়ও ফেলে দেওযার সময় মূল্যবান জিনিসও কখনও কখনও ফেলে দেওয়া হয়ে থাকে। অজান্তেই ঘটে এমনটি। যখন এর খোঁজ পড়ে তখন মনে করা হয় ময়লার সঙ্গে হয়তো সেটিও ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে ময়লা-আবর্জনার সঙ্গে ১৪ লাখ টাকা ফেলে দেওয়া হবে তা হয়তো কেও ভাবতেও পারেন নি!

১৪ লাখ টাকার পরিমাণ অর্থ ফেলে দেওয়ার মতো ঘটনাটি ঘটেছে ইংল্যান্ডে। দেশটির বার্নহ্যাম সৈকত এলাকায় এক দম্পতি তাদের মৃত আত্মীয়র বাড়িতে সাফাইয়ের কাজ করছিলেন। সেখানে তারা কিছু পুরনো বাক্স পেয়েছিলেন। কাজের কিছু নেই ভেবে সেগুলো রিসাইকেল সেন্টারে দিয়ে চলে আসেন তিনি।

রিসাইকেল সেন্টারের কর্মী সেগুলো মেশিনে তোলার পূর্বে খুলে দেখতে পান তার মধ্যে রয়েছে ১৫ হাজার ইউরো। চাইলে হয়তো তিনি সেগুলো নিজের পকেটস্থও করতে পারতেন। তবে তিনি তা না করে সেগুলো গচ্ছিত রেখে স্থানীয় অ্যাভন অ্যান্ড সামারসেট থানায় খবর দেন তিনি। কারণ যারা এই আবর্জনা ফেলে দিয়েছে তাদেরকে তো ওই কর্মী চেনেনই না, এমনকি দেখেনওনি তিনি। তাই ব্যাপারটি থানাকে জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশ কর্মীরাও তো জানেন না। তাই বাধ্য হয়ে সিসি ক্যামেরার ফুটেজের স্মরণাপন্ন হলেন তারা। যে গাড়িতে করে বাক্সগুলো রিসাইকেল সেন্টারে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল তার নম্বর প্লেট দেখে ওই দম্পতির সঙ্গে যোগাযোগ করে স্থানীয় পুলিশ। তাদের জানানো হয় পুরো বিষয়টি।

ওই দম্পতি জানিয়েছেন যে, যে বাড়ি থেকে তারা বাক্সগুলো ফেলেছেন, তার মালিক প্রায়ই এমন উল্টোপাল্টা জায়গায় টাকা-পয়সা নাকি লুকিয়ে রাখতেন। এই পুরনো ও বাতিল বাক্সগুলোর জিনিসপত্রের নীচে লুকিয়ে রেখেছিলেন এই বড় পরিমাণ অর্থ। এমনকি তারা নিজেরাও জানতেনও না ওই আত্মীয়ের কাছে এতো টাকা ছিল।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ ওই টাকা দম্পতির হাতে তুলে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে রিসাইকেল সেন্টারের কর্মীরও প্রশংসা করেছেন তার এই সততার জন্য। জনগণকে সচেতন করেছেন, এমন আবর্জনা বা পুরনো জিনিস ফেলার পূর্বে অন্তত একবার প্রয়োজনীয় বা দামি জিনিস রয়েছে কি না তা দেখে নেওয়া উচিত।

আসলেও তাই এই কাজটি আমাদের সবারই করা উচিত। কেনোনা ফেলে দিলে যে আবার ফিরে পাওয়া যাবে তার কোনো গ্যারান্টি থাকে না।

Loading...