The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সোনাইমুড়ীর ঐতিহাসিক বজরা শাহী মসজিদ

১৮শ সতাব্দীতে নির্মিত নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলাধীন বজরা ইউনিয়নের অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০ খৃস্টাব্দ, ৩ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

সোনাইমুড়ীর ঐতিহাসিক বজরা শাহী মসজিদ 1

যে দৃশ্যটি আপনারা দেখছেন সেটি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলাধীন বজরা ইউনিয়নের অবস্থিত বজরা শাহী মসজিদ। এটি একটি ঐতিহাসিক মসজিদ।

বজরা শাহী মসজিদ ১৮শ সতাব্দীতে নির্মিত নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলাধীন বজরা ইউনিয়নের অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। এটি মাইজদীর চারপাশের “সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক স্থাপনা” গুলির একটি হিসেবে বিবেচিত। ২৯ নভেম্বর ১৯৯৮ হতে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বজরা শাহী মসজিদের ঐতিহ্য রক্ষা ও দুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে।

মসজিদে ঢোকার পথও মসজিদে মতোই এটি মোজাইক দিয়ে সজ্জিত করা। এই মসজিদটি নোয়াখালী শহর হতে ২০ কিলোমিটার (১২ মাইল) উত্তরে বজরা নামক গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটির চারপাশ প্রাচীর দিয়ে ঘেরা রয়েছে, মসজিদে প্রবেশ করার পথটি হলো পূর্ব দিকে। মসজিদটি দিঘীর পশ্চিম পার্শ্বে উঁচু ভিত্তির ওপর নির্মিত হয়েছে।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, মুগল সম্রাট মুহাম্মদ শাহের রাজত্বকালে ১৭৪১-৪২ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি আমান উল্লাহ কর্তৃক নির্মিত হয়। ১৯১১ হতে ১৯২৮ সালের মাঝামাঝি সময় বজরা জমিদার খান বাহাদুর আলী আহমদ এবং খান বাহাদুর মুজির উদ্দিন আহমদ মসজিদটি মেরামত করেছিলেন এবং সিরামিকের মোজাইক দিয়ে সজ্জিত করেন। এই মসজিদটি বর্তমানে ভালো অবস্থায় সংরক্ষিত। এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সুরক্ষিত স্থানগুলির তালিকাতে রয়েছে।

এই মসজিদটি অভ্যন্তরটি বহু-শিখরের খিলান দ্বারা ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এই মসজিদটি আয়তাকার (১৬ মি. × ৭.৩২ মি.), মসজিদটি উত্তর ও দক্ষিণে লম্বা। বাইরের চার কোণায় অষ্টভুজাকৃতির বুরুজও রয়েছে। মসজিদের পূর্বে ৩টি, উত্তরে এবং দক্ষিণে ১টি করে মোট ৫টি দরজাও রয়েছে। দরজা বাইরের দিকে অভিক্ষিপ্ত ও দজার উভয় পার্শ্বে সরু মিনার রয়েছে। পূর্বদিকের ৩টি দরজা বরাবরে কিবলা দেওয়াল রয়েছে যার অভ্যন্তরে ৩টি মিহরাব রয়েছে। মাঝের মিহরাবটি অন্যদুটির হতে অপেক্ষাকৃত বড়।

মসজিদের অভ্যন্তরীণ দুটি কক্ষ রয়েছে যা বহুখাঁজবিশিষ্ট আড়াআড়ি খিলান দ্বারা ৩ ভাগে বিভক্ত। ছাদের উপর ৩টি কন্দাকৃতির গম্বুজ রয়েছে যা অষ্টকোণাকার। এগুলির শীর্ষ পদ্ম এবং কলস চূড়া দ্বারা সজ্জিত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: https://bn.wikipedia.org এর সৌজন্যে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...