The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

গবেষকরা ডাইনোসর সম্পর্কে নতুন তথ্য দিয়েছেন!

সম্প্রতি ডাইনো-ডিমের জীবাশ্ম পরীক্ষা করার পর ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষকদল জানিয়েছেন যে, বিলুপ্ত এই প্রাণী সম্পর্কে জনসম্মুখে আসা ধারণাগুলো অনেকাংশেই ভুল ধারণা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ডাইনোসর নিয়ে গবেষণার যেনো শেষ নেই। দীর্ঘদিন ধরেই নানা গবেষণা করা হচ্ছে ডাইনোসর নিয়ে। এবার গবেষকরা ডাইনোসর সম্পর্কে নতুন তথ্য দিয়েছেন! কী সেই তথ্য?

গবেষকরা ডাইনোসর সম্পর্কে নতুন তথ্য দিয়েছেন! 1

এবার ডাইনোসর নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছেন গবেষকরা। সম্প্রতি ডাইনো-ডিমের জীবাশ্ম পরীক্ষা করার পর ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষকদল জানিয়েছেন যে, বিলুপ্ত এই প্রাণী সম্পর্কে জনসম্মুখে আসা ধারণাগুলো অনেকাংশেই ভুল ধারণা। গবেষকদের মতে, এতোদিন আসলে একটা ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করা হতো। মনে করা হতো ডাইনোসরের শরীরে ঠাণ্ডা রক্ত বইতো। আসলে ঠাণ্ডা রক্ত নয়, রীতিমতো উষ্ণ রক্ত বইতো ডাইনোসরদের শরীরের মধ্যে।

তাদের এই গবেষণার প্রধান গবেষক রবিন ডসনের তথ্য মতে, ‘আমরা জানতে পেরেছি যে মেটাবলিজমের মাধ্যমে পরিবেশের নিরিখে দেহের উষ্ণতা বাড়ানোর বৈশিষ্ট্যটি আসলে ডাইনোসরদের এগিয়ে রেখেছিল।’ এই গবেষণার জন্য তিন গোত্রের ডাইনোসরের ডিমের খোলসের জীবাশ্ম পরীক্ষা করেছেন ডসনের গবেষকরা। মাংসাশী ট্রুডন (যাকে টি-রেক্সের ছোট জ্ঞাতি ভাই বলা হয়) এবং দুই নিরামিশাষী মাইয়াসরাস এবং দৈত্যাকার মেগালুলিথাস। তাদের ডিমের খোলসের জীবাশ্ম বিশ্লেষণ করে ওই গবেষকদল এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছেন যে, ঠাণ্ডা রক্তের তত্ত্বকে ধ্রুব সত্য ধরে নেওয়ার কোনও কারণই নেই। ডসনের মতে, ‘বিবর্তনের দিক হতে দেখলে উষ্ণ রক্তের পক্ষীকুল এবং শীতল রক্তের সরীসৃপের মাঝামাঝি রয়েছে এইসব ডাইনোসররা। আমাদের গবেষণা অনুযায়ী দেখা যায়, তাদের প্রধান গোষ্ঠীগুলোর সকলেরই শরীরের তাপমাত্রা পারিপার্শ্বিকের তুলনায় বেশ উষ্ণতর ছিল।’

Loading...