The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মহাশূন্যে গুলি করলে কী ঘটবে?

মহাশূন্যে যিনি বন্দুকের ট্রিগারে চাপ দেবেন, তাকে এক অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ পৃথিবী ও মহাশূন্যের মাঝে প্রকৃতির প্রায় সব কিছুই একেবারে ভিন্ন। কোনও কিছুর যেনো কোনো মিল নেই। সেখানে তাই বন্দুকের গুলিতেও রয়েছে বিরাট প্রার্থক্য।

মহাশূন্যে গুলি করলে কী ঘটবে? 1

এই প্রার্থক্যটি প্রকৃতপক্ষে শব্দে। পৃথিবীতে গুলি করলে তা বেশ জোরালো একটা শব্দ তৈরি হয়। তবে মহাশূন্যে গুলির কোনও শব্দই পাওয়া যাবে না। তবে এখানেই সব শেষ, তা কিন্তু নয়। এই মহাশূন্যে যিনি বন্দুকের ট্রিগারে চাপ দেবেন, তাকে এক অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে।

নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী জানা যায়, বন্দুক তাক করে গুলি ছোড়ার সঙ্গে সঙ্গেই, বন্দুক থেকে গুলি বের হওয়ার বিপরীতি প্রতিক্রিয়া হিসেবে, যিনি গুলি ছুঁড়েছেন তিনি ঠিক উল্টো দিকে ছিটকে পড়বেন।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, এই ছিটকে যাওয়ার গতি কতোটা হতে পারে? এই প্রশ্নের জবাব দিতে একটি একে-৪৭ এর সঙ্গে একটি স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন পিস্তলের তুলনা করা হয়েছে।

ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৬শ’ মাইল একে-৪৭ গুলি। তাই মহাশূন্যে একে-৪৭ থেকে গুলি ছোড়ার পর যিনি গুলি ছুড়বেন তাকে ঘণ্টায় প্রায় শূন্য দশমিক ০৬৮ মাইল গতিবেগে উল্টো দিকে একেবারে রীতিমতো ছিটকে যেতে হবে।

অন্যদিকে পয়েন্ট ফাইভ জিরো ক্যালিবার পিস্তল হতে বের হওয়া বন্দুকের গুলির গতিবেগ থাকে ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৩৩০ মাইলের মতো। অর্থাৎ এর গুলির গতিবেগ একে-৪৭ এর গুলির বেগের থেকেও কম। তবে স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসনের বুলেটের ওজন একে-৪৭ এর বুলেটের ওজনের প্রায় দ্বিগুণ হবে।

যে কারণে স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন পিস্তল হতে গুলি ছুঁড়লে, একে-৪৭ থেকে গুলি ছোঁড়ার দ্বিগুণ গতিতে উল্টো দিকে আপনাকে ছিটকে যেতে হবে। সেই গতি হবে- ঘণ্টায় দশমিক ১৩৬ মাইল; যা আধাঘণ্টায় একটি ফুটবল স্টেডিয়াম প্রদক্ষিণের জন্যই যথেষ্ট!

তবে মহাশূণ্যে গুলি করার আরেকটি বিপদ হলো নিজের জীবনই হয়তো শেষ হতে পারে। শেষ পর্যন্ত সামনের দিকে ছোড়া গুলি উল্টো পথে ঘুরে নিজের পিঠেও বিদ্ধ হতে পারে। মহাশূন্যে যেহেতু কোনো প্রতিরোধক ব্যবস্থা নেই, তাই কোনো একটা গ্রহের কক্ষপথ ঘুরে যিনি গুলি ছুড়েছেন তার পিঠেই হয়তো গুলিটি বিদ্ধ হতে খুব বেশি সময় নেবে না!

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...