The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

লাখ টাকায় বিক্রি হলো ইদুঁরের আঁকা ছবি!

ওই ইঁদুরটির নাম হুস

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ফরাসি চিত্রশিল্পী হেনরি ম্যাতিসের আঁকা ছবি হলে হয়তো কোনো কথাই ছিল না, লাখ-কোটি টাকায় বিক্রি হতেই পারে সেটিই স্বাভাবিক ছিলো। তবে তাই বলে একটি ইঁদুরের আঁকা ছবি বিক্রি হলো লাখ টাকায়!

লাখ টাকায় বিক্রি হলো ইদুঁরের আঁকা ছবি! 1

ভাবতে অবাক লাগলেও এই ঘটনাটি ঘটেছে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারে। ওই ইঁদুরটির নাম হুস। তার আঁকা বেশ কয়েকটি ছবি ইতিমধ্যেই বিক্রি হয়েছে হাজার পাউন্ডে। সেগুলো কিনে নিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের মানুষরা। হুস এখন রীতিমত এক ধনী ইঁদুরে পরিণত হয়েছে।

এনডিটিভির এক খবরে বলা হয়, হুসের মালিক হলেন ম্যানচেস্টারের ১৯ বছরের তরুণ জেস ইন্ডসেথ। তিনি ইঁদুরটি কিনেছিলেন গত ২০১৮ সালে। জেস জানিয়েছেন, একদিন তিনি পেইন্টিংও করছিলেন। এই সময় তার ইঁদুরটি অদ্ভূত আচরণও করছিল। একসময় বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি তার আঁকার সরঞ্জাম প্রিয় ইঁদুরটিকে খেলতেও দেন। একসময় জেস আবিষ্কার করেন ইঁদুরের পায়ের থাবায় লেগে যাওয়া রঙ কাগজে ছাপ ফেলেছে। সেই ছাপে ছাপে আঁকা হয়েছে দারুণ এক চিত্র। এরপর থেকেই জেস ইঁদুরটিতে ছবি আঁকতে দেন। এভাবেই এক সময় ৬০টি মাস্টারপিস তৈরি হয় ইঁদুরের পেইন্টিংটি।

জেস বলেন, ‘হুস যেনো এক মিনি ম্যাতিস। আমি ওর শিল্পকর্ম দেখে সত্যিই অবাক হয়েছিলাম। আরও অবাক হয়েছিলাম, ইঁদুরের পেইন্টিং বিক্রির জন্য ইটসি নামে একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেসও রয়েছে তা দেখে। সেখানেই ৬০টি পেইন্টিং বিক্রি হয়। সবমিলিয়ে ১ হাজার পাউন্ড বিক্রি করা গেছে হুসের আঁকা ছবি।’

জেস জানিয়েছেন, ইঁদুরের আঁকা পেইন্টিংগুলো আমি যেমন ভালোবেসেছি, ঠিক তেমনি বিশ্বের অনেক চিত্রকর্মপ্রেমীও ভালোবেসেছেন। তাইতো এখন এক ধনী চিত্রশিল্পী হলেন ইদুঁর ‍হুস।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...