The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

স্বাস্থ্যকর্মীদের ১শ’ কেজি ওজনের দুটি মাছ খাওয়ালো জেলেরা!

কেও কেও এদেরকে খাবার সরবরাহ করছেন, সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ-খবরও রাখছেন অনেকেই। এদিকে থেকে জেলেরাও যেনো পিছিয়ে নেই

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতি করোনা সংকটকালে মহাতারকায় পরিণত হয়েছেন স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলো। যেমন এবার স্বাস্থ্যকর্মীদের ১শ’ কেজি ওজনের দুটি মাছ খাওয়ালো জেলেরা!

স্বাস্থ্যকর্মীদের ১শ’ কেজি ওজনের দুটি মাছ খাওয়ালো জেলেরা! 1

এই পেশার সঙ্গে যারা যুক্ত আছেন তাদেরকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতার করতে চান অনেকেই। কেও কেও এদেরকে খাবার সরবরাহ করছেন, সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ-খবরও রাখছেন অনেকেই। এদিকে থেকে জেলেরাও যেনো পিছিয়ে নেই।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ের পাঁচ জেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার সময় তাদের একটাই লক্ষ্য ছিল স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের মাছ খাওয়ানো। সৌভাগ্যবশত তারা প্রায় ১০০ কেজি ওজনের দুটি টুনা মাছ পেয়ে গেলেন।

বিশালাকৃতির টুনা দুটি সামুদ্রিক খাবার বিতরণকারীদের কাছে পাঠানো হয় এবং তারা রান্না করে ৩শ’টিরও বেশি খাবারের প্যাকেট করে আনেন। এরপর এই খাবারগুলো হনুলুলুর স্ট্রাব মেডিকেল সেন্টার এবং দ্য কুইনস মেডিকেল সেন্টারে সরবরাহ করা হলো।

মৎস্যজীবীদের একজন ছিলেন হাওয়াই স্কিন ডাইভার টিভির ডাইভিং শোর নির্বাহী প্রযোজক কাইল নাকামোটো। তিনি সিএনএনকে বলেন, আমরা ভাগ্যবান ছিলাম যে প্রায় ১০০ কেজি ওজনের দুটি ইয়োলোফিন টুনা ধরতে পারলাম।

স্ট্রাব মেডিকেল সেন্টারের প্রধান পরিচালন ট্র্যাভিস ক্লেগ এই বিষয়ে বলেন, চলমান এই মহামারীতে রোগী ও সম্প্রদায়ের মানুষদের সেবায় ফ্রন্টলাইনে থাকা আমাদের স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য যে সমর্থন ও উদারতা দেখানো হয়েছে তা দেখে আমি সত্যিই আভিভূত হয়েছি।

সিএনএন এর এক খবরে বলা হয়েছে, মাছ ধরতে যাওয়া এই দলটি হাওয়াই স্কিন ডাইভার টিভির জন্য একটা পর্বও ক্যামেরাবন্দি করেছেন তারা। যেখানে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য মাছ ধরতে যাওয়ার পুরো ঘটনাটিই দেখানো হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...