The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কারাগারে থেকেই প্রাচীন গণিত সমস্যার সমাধান করলেন এক ব্যক্তি!

প্রাচীন জটিল এক গাণিতিক সমস্যারও সমাধান করে ফেলেছেন ওই ব্যক্তি। যা সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে গণিত বিষয়ক একটি গবেষণা জার্নালে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খুনের দায়ে কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া জনৈক আসামি কারাগারে থেকেই উচ্চতর গণিতের দীক্ষা নিয়েছেন।

কারাগারে থেকেই প্রাচীন গণিত সমস্যার সমাধান করলেন এক ব্যক্তি! 1

ডয়চে ভেলে’র এক খবরে বলা হয়, প্রাচীন জটিল এক গাণিতিক সমস্যারও সমাধান করে ফেলেছেন ওই ব্যক্তি। যা সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে গণিত বিষয়ক একটি গবেষণা জার্নালে।

হলিউডের চলচ্চিত্রে এমন ঘটনা হয়তো প্রায়ই চোখে পড়ে। তবে ক্রিস্টোফার হ্যাভেনস নামে ওই কারাবাসি যা করেছেন তা গল্পকেও যেনো হার মানায়। স্কুলের গণ্ডি পেরুতে পারেননি ওই ব্যক্তি, পাননি কোনো চাকরি। এক পর্যায়ে তিনি হয়ে পড়েন মাদকাসক্ত। খুনের দায়ে ২৫ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে তার। ৪০ বছর বয়সি হ্যাভেনস ইতিমধ্যেই ৯ বছর কাটিয়েছেন কারাগারে, আরও ১৬ বছরের বন্দিজীবন তার সামনে রয়েছে।

তবে জেলে তার দিনগুলো অন্য আর দশজন কয়েদির মতো নয়। বন্দি দশায় নিজেকে তিনি গণিতপ্রেমী হিসেবে আবিষ্কার করে ফেলেছেন। শুরু করেন উচ্চতর গণিতের পাঠ নেওয়া। জেলখানায় সেটি মোটেও সহজ ছিল না। চিঠি পাঠিয়ে তিনি যে বইগুলোর অর্ডার দিতেন বাইরে সেগুলো আটক করতো কারারক্ষীরা।

অবশেষে একটি দফারফাও করেন তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। অন্য বন্দিদের অঙ্ক শেখানোর বিনিময়ে শুধু পাঠ্যবই আনার অনুমতি দেওয়া হয় তাকে। তবে সেগুলো তার জন্য যথেষ্ট ছিল না। এক পর্যায়ে তিনি গণিতের জার্নালের বিভিন্ন সংখ্যার প্রকাশকদের কাছেও চিঠি লিখতে শুরু করেন। বিভিন্ন হাত ঘুরে একটি চিঠি আসে গণিতের অধ্যাপক উমব্যার্তো চেরুতির কাছেও। সিয়াটলে বন্দি হ্যাভেনসের অঙ্কের দৌড় জানতে তিনি একটি জটিল গাণিতিক সমস্যা পাঠিয়ে দেন তাকে। কিছুদিনের মধ্যেই ১২০ সেন্টিমিটার লম্বা কাগজে বিরাট এক ফর্মুলা লিখে সঠিকভাবেই সমাধান পাঠিয়ে দেন হ্যাভেনস।

অধ্যাপক চেরুতি সেই সময় প্রাচীন একটি গ্রিক গাণিতিক সমস্যা বা তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করছিলেন, যার উপর ভর করেই এমনকি গড়ে উঠেছে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি। সেই গবেষণায় তিনি সঙ্গী করেন হ্যাভেনসকেও। জেলে বসে কোনো ক্যালকুলেটর কিংবা ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়াই প্রথমবারের মতো সংখ্যার সেই ধাঁধাটি উন্মোচন করে ফেলেন হ্যাভেনস।

তার এই প্রমাণকে বৈজ্ঞানিকভাবেই ব্যাখ্যা করতে সহায়তা করেন চেরুতি। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে এই দুইজনের যৌথ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে গণিতের জার্নাল ‘রিসার্চ ইন নাম্বার থিওরি’ সংখ্যাতে। হ্যাভেনস যে শুধু নিজে গাণিতিক সমস্যার সমাধান করছেন তা নয়। জেলখানায় অনেক বন্দির মধ্যেই তিনি সংখ্যার মোহ ছড়িয়ে দিয়েছেন ইতিমধ্যেই। তাদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন ম্যাথ ক্লাব, যার সদস্য বর্তমানে ১৪ জন। জেলের বাকি ১৬ বছরের বন্দি জীবন গণিতেই ডুবে থাকতে চাইছেন হ্যাভেনস। যাকে তিনি দেখছেন সমাজের প্রতি তার ঋণ শোধ হিসেবেই।

তথ্যসূত্র: একুশে টেলিভিশন

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...