The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

হুয়াওয়ের ওয়াচ জিটি-২ই রক্তে অক্সিজেন মাত্রা জানিয়ে দেবে

আগের চেয়েও সাশ্রয়ী মূল্যে এই ওয়াচ জিটি ২ই’তে ১০০ ধরণের ওয়ার্কআউট মোডও রয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে সম্প্রতি ওয়াচ জিটি সিরিজের নতুন সংস্করণ ওয়াচ জিটি-২ই দেশের বাজারে এনেছে ।

হুয়াওয়ের ওয়াচ জিটি-২ই রক্তে অক্সিজেন মাত্রা জানিয়ে দেবে 1

জানা গেছে, আগের চেয়েও সাশ্রয়ী মূল্যে এই ওয়াচ জিটি ২ই’তে ১০০ ধরণের ওয়ার্কআউট মোডও রয়েছে। প্রথমবারের মতো এতে যুক্ত করা হয়েছে ব্লাড অক্সিজেন স্যাচুরেশন (এসপিও২) মনিটরিং ফিচারও। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর রক্তপ্রবাহে অক্সিজেন স্তর জানা যাবে।

রক্তচাপ এবং হার্টরেট এর পাশাপাশি ব্লাড অক্সিজেন স্যাচুরেশন (এসপিও২) হেলথ মনিটরিং’এর একটি অন্যতম পরীক্ষণও। একে সংক্ষেপে অক্সিজেন স্যাচুরেশন কিংবা এসপিও২ বলা হয়। এর মাধ্যমে ব্যবহৃত ব্যক্তির রক্তপ্রবাহে আনুমানিক অক্সিজেন স্তরও জানা যায়।

জানা গেছে, হুয়াওয়ে ওয়াচ জিটি-২ই এর একটি ফিচারের সাহায্যে ব্লাড অক্সিজেন স্যাচুরেশন মনিটরিং করা সম্ভব হবে। সাধারণত আর্টেরিয়াল ব্লাড গ্যাস (এবিজি) টেস্ট এবং পালস অক্সিমিটারের সাহায্যে এটি পরিমাপ করা হয়ে থাকে। তবে হুয়াওয়ে এই ওয়াচ জিটি-২ই একটি ডেডিকেটেড এসপিও২ আইএর সেন্সরের সাহায্যে এটি পরিমাপ করে দেবে।

এ ওয়াচের সাহায্যে যে কোনো সময় বা যে কোনো স্থানেই ব্লাড অক্সিজেন স্যাচুরেশন (এসপিও২) মনিটর করা সম্ভব হবে।

ওয়াচ জিটি ২ই’তে আরও পাওয়া যাবে ১০০ ধরণের ওয়ার্কআউট মোড। যে কারণে শারীরিক অনুশীলন হবে আরও সহজতর। এর মধ্যে ওয়াচ জিটি-২ই’তে ১৫ ধরণের প্রফেশনাল ওয়ার্কআউট মোডও রয়েছে।

ক্ল্যাসিক এবং স্পোর্টস ধারণার নকশার সমন্বয়ে ওয়াচ জিটি-২ই আগের সংস্করণের তুলনায় ডিজাইনে নতুনত্ব নিয়ে আসা হয়েছে। এটিতে ব্যবহার করা হয়েছে রঙের বৈচিত্র্য। ১.৩৯ ইঞ্চির অ্যামলয়েড ডিসপ্লের এই ওয়াচটি পাওয়া যাচ্ছে মিন্ট গ্রিন, গ্রাফাইট ব্ল্যাক, আইসি হোয়াইট এবং লাভা রেড এই ৪টি কালারে। স্ট্র্যাপ ও
ডায়ালের ডিজাইনেও রয়েছে বেশ আভিজাত্য।

বাংলাদেশের বাজারে হুয়াওয়ে ওয়াচ জিটি-২ই কিনতে আপনাকে দাম দিতে হবে ১৩,৪৯৯ টাকা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...