The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সুনামির পূর্বাভাস: উপকূলে উঠে এসেছে দৈত্যাকার মাছ!

এতো বড় লম্বা মাছ, দু’জনে দুই দিক ধরে ছবিও তোলেন। তারপর মাছটিকে সমুদ্রে ছেড়ে দেন ফার্নান্দো এবং ডেভিড

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মেক্সিকো উপকূলে এবার ধরা পড়লো ওর ফিশ। ফার্নান্দো কেভালিন এবং ডেভিড জাবেদোরস্কি নামে দুই যুবক এই দৈত্যাকার মাছটিকে আবিষ্কার করেন ওই সৈকতের একেবারে কিনারে।

সুনামির পূর্বাভাস: উপকূলে উঠে এসেছে দৈত্যাকার মাছ! 1

এতো বড় লম্বা মাছ, দু’জনে দুই দিক ধরে ছবিও তোলেন। তারপর মাছটিকে সমুদ্রে ছেড়ে দেন ফার্নান্দো এবং ডেভিড। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। তবে সেই সঙ্গে ছড়িয়েছে শংকা। কেনোনা এই ওর ফিশের উপকূলে আনাগোনা বড় কোনো ভূমিকম্পের আভাস মনে করছেন স্থানীয় মানুষরা!

২০১১ সালে জাপানের সুনামির স্মৃতিকেই মূলত সামনে আনলো মেক্সিকো উপকূলে ধরা পড়া ‘দৈত্যাকার মাছ’ ওর ফিশ। এই মাছটি ‘ভূমিকম্পের মাছ’ বলে অধিক পরিচিত। উপকূলে ওর ফিশ উঠে আসায় সুনামির মতো ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

১৩ ফুট লম্বা সামুদ্রিক এই মাছটি আসলে ‘ওর ফিশ’। এই মাছের মুখটা অনেকটা হাঙরের মতোই। এর গায়ের রং রুপালি। উপকূলে খুব একটা দেখা যায় না এদেরকে। সে কারণেই বোধহয় সমুদ্র সৈকতে এর আবির্ভাব অশনি সংকেত বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। জানা যায়, ২০১১ সালের মার্চ মাসে জাপানে ভয়াবহ কম্পন ও সুনামির পূর্বে নাকি সৈকতে দেখা গিয়েছিল এই ওর ফিশ। তারপর হতেই এই মাছের নাম হয়ে যায় ‘ভূমিকম্পের মাছ’।

রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রা ভূমিকম্পের সেই বিপর্যয়ের কথা এখনও ভুলতে পারেননি জাপানের মানুষ। সমুদ্রের ৪০ মিটার উচ্চতার ঢেউ ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল অনেকগুলো দ্বীপও। নিমেষের মধ্যে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েছিলেন উপকূলবর্তী হাজার হাজার মানুষ। সেই বিপর্যয় সামলাতে অনেকটা সময় লেগেছিল জাপানের মতো দেশের।

৯ বছর পর আবার সেই স্মৃতিকে উসকে দিয়েছে মেক্সিকো উপকূলে ধরা পড়া ওর ফিশ। ফার্নান্দোর ধারণা মতে, এই মাছ নাকি প্রোটিনে পরিপূর্ণ একটি মাছ। অন্যান্য অঙ্গও বেশ কার্যকরী এই মাছের। তা সত্ত্বেও এই মাছের আবির্ভাব অশুভ বলেই মনে করছে স্থানীয় মানুষ। এই মাছটি দেখে স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই বলেছেন যে, এতো বছর পর আবার প্রবল কম্পন ও সুনামিতে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সময় কী তাহলে আসন্ন?

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...