The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ফরিদপুরের ঐতিহাসিক সাতৈর মসজিদ

৭০০ বছরের পূর্বের এই মসজিদটি এখনও কালের স্বাক্ষী হিসেবে টিকে রয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০ খৃস্টাব্দ, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৯ জিলহজ্ব ১৪৪১ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

ফরিদপুরের ঐতিহাসিক সাতৈর মসজিদ 1

যে মসজিদটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটি ফরিদপুরের ঐতিহাসিক সাতৈর মসজিদ। ৭০০ বছরের পূর্বের এই মসজিদটি এখনও কালের স্বাক্ষী হিসেবে টিকে রয়েছে।

ফরিদপুর জেলা সদর হতে ২৩ কিলোমিটার দূরে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রামে সুলতানী আমলের ৯ গম্বুজ বিশিষ্ট সাতৈর মসজিদটি অবস্থিত। ধারণা করা হয়ে থাকে, প্রায় ৭০০ বছর পূর্বে শের শাহের আমলে সাতৈর গ্রামের আওলিয়া হযরত শাহ সুফি শায়েফ ছতুরি (রাঃ) পীরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক ১৬ শতকের দিকে আলা-উদ্দিন হুসাইন শাহ এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদ নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই এটি পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়ায় মসজিদের চারপাশ জঙ্গলে ঢাকা পড়ে যায়। পরবর্তীকালে বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মসজিদটি সংস্কার এবং পুনঃনির্মাণ করা হয়।

বর্গাকার সাতৈর মসজিদের বাইরের দিকের দৈর্ঘ্য হলো ১৭.৮ মিটার এবং ভিতরের দিকে ১৩.৮ মিটার ও ভূমি হতে উচ্চতা ০.৬ মিটার। পেন্ডেন্টিভ পদ্ধতিতে নির্মিত এই মসজিদে মোট ৯টি কন্দাকৃতির গম্বুজও রয়েছে। তাছাড়াও মসজিদের ভেতরে পাথরের তৈরি ৪টি স্তম্ভ, দেওয়াল সংলগ্ন ১২টি পিলার এবং পশ্চিম দিকে বহুখাঁজ বিশিষ্ট খিলানযুক্ত ৩টি মেহরাব রয়েছে। তবে নির্মাণের শুরুতে পশ্চিম দিক ছাড়া মসজিদের তিন দিকে প্রবেশ পথ থাকলেও বর্তমানে মসজিদের উত্তর এবং দক্ষিণ দিকের প্রবেশ পথগুলোকে জানালায় রূপান্তর করা হয়েছে। সাতৈর শাহী মসজিদের পাশে আরও রযেছে ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড ট্রাংক রোড, ১২ আউলিয়ার মাজার ও একটি গভীর কূপও। মসজিদটি নির্মাণের পর হতেই স্থানীয়দের মধ্যে মসজিদটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের লোক-কথা প্রচলিত রয়েছে। সে কারণে ধর্মীয় বিশ্বাস এবং বিভিন্ন মানত নিয়ে দূর দূরান্ত থেহতে বহু মানুষ এই মসজিদ দর্শনে এসে থাকেন।

তথ্যসূত্র: https://vromonguide.com

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...