The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

উইঘুরে মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়ে গণশৌচাগার বানালো চীন!

মুসলিমদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হানতেই এমন একটি কাজ করা হয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চীনের বিরুদ্ধে শিনজিয়াং প্রদেশে আবারও সংখ্যালঘু মুসলিমদের মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ হলো মসজিদের জায়গায় গণশৌচাগার তৈরি করেছে চীন প্রশাসন!

উইঘুরে মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়ে গণশৌচাগার বানালো চীন! 1

পর্যবেক্ষকদের ধারণা মতে, মুসলিমদের ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হানতেই এমন একটি কাজ করা হয়েছে। এটি উইঘুর জাতিগোষ্ঠী নিশ্চিহ্নের পরিকল্পনার আরেকটি প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন ২০১৬ সালে মসজিদ সংস্কারের নামে মুসলমানদের গণজমায়েতে নামাজ পড়ার স্থানগুলো নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলো।

অভিযোগ উঠেছে, ‘তোকুল’ মসজিদের জায়গায় শৌচাগার নির্মাণের কয়েকদিন পূর্বে ওই শহরে থাকা ৩টি মসজিদের মধ্যে দুটি মসজিদই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইতিপূর্বে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে দাবি করা হয় যে, চীনে বসবাসকারী উইঘুরদের ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

আতুশ শহরের সুনতাঘ গ্রামের নেইবারহুড কমিটির প্রধান রেডিও ফ্রি এশিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ২০১৮ সালে তোকুল মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো। পরে এখানে ওয়াশরুম, গেস্টরুম ও শৌচারগার তৈরি করে উইঘুরবিরোধী হোন ওই গোষ্ঠীর নেতারা।

চীন সরকারের ভয়ে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি রেডিও ফ্রি এশিয়াকে সাক্ষৎকার দেওয়া উইঘুর সম্প্রদায়ের ওই ব্যক্তিটি। তিনি বলেন যে, এখন এটি পরিণত হয়েছে একটি গণশৌচাগারে। তবে এটি উদ্বোধন করা হয়নি। নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর ওয়াশিংটন ভিত্তিক উইঘুর হিউম্যান রাইটস প্রজেক্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সাল হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ১০ হাজার হতে ১৫ হাজারের মতো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে চীনা প্রশাসন।

এছাড়াও উইঘুর মুসলিম নারীদের জোরপূর্বক বন্ধ্যা করার অগিযোগও উঠে চীনা সরকারের বিরুদ্ধে। তবে চীন সরকার বরাবরই এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করে আসছে। ডিএনএ, টাইমস নাউ

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...