The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

করোনার কারণে স্কুল হলো মুরগির খামার!

স্কুলের ক্লাসরুম একসময় শিক্ষার্থীদের পড়ার শব্দে গমগম থাকলেও এখন সেখানে শুধু মুরগির ডাক ছাড়া কিছুই শোনা যায় না

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে কেনিয়ায় আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যে কারণে বেসরকারি অনেক স্কুল টিকে থাকা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে অনেক স্কুল এখন পরিণত হয়েছে মুরগির খামারে।

করোনার কারণে স্কুল হলো মুরগির খামার! 1

বিবিসির এক খবরে বলা হয়, মুয়ে ব্রেথ্রেন স্কুলের ক্লাসরুম একসময় শিক্ষার্থীদের পড়ার শব্দে গমগম থাকলেও এখন সেখানে শুধু মুরগির ডাক ছাড়া কিছুই শোনা যায় না। ব্ল্যাকবোর্ডে অঙ্ক করার পরিবর্তে লিখে রাখা হয়েছে মুরগির টিকা দেওয়ার সময়সূচি।

সেন্ট্রাল কেনিয়ান স্কুলের মালিক জোসেফ মাইনা জানিয়েছেন, তিনি তার স্কুলের আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে এটিকে মুরগির খামারে পরিণত করতে বাধ্য হন। মার্চে যখন সব স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ এলো, ঠিক তখন থেকেই তাকে কঠিন এক সময়ের মুখে পড়তে হয়েছে।

মাইনারের প্রথমে মনে হয়েছিল যে, সব কিছু হারিয়ে গেছে; তবে সিদ্ধান্ত নিলেন টিকে থাকার জন্য কিছু একটা তাকে করতেই হবে। তখনই মুরগির খামারের কথা তার মাথায় উঠে আসে।

কেনিয়ার বেসরকারি স্কুলগুলো প্রায় এক-পঞ্চমাংশ শিশুদের শিক্ষা দিয়ে থাকে। তাদের আয়ের মূল উৎসই হলো শিক্ষার্থীদের বেতন। এসব ক্ষেত্রে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন সংশ্লিষ্টরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। অনলাইন শিক্ষণের মাধ্যমে হাতেগোনা কয়েকটি স্কুল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এতে তারা যে আয় করছে, তা শিক্ষকদের মৌলিক চাহিদা পূরণেও ব্যর্থ হচ্ছে। এ তথ্য দিয়েছে কেনিয়ার প্রাইভেট স্কুল অ্যাসোসিয়েশন-কেপিএসএ।

সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী পিটার নডরো এই বিষয়ে বলেন, তিন লাখের মতো স্কুলের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ স্কুলের শিক্ষকদের বিনাবেতনে ছুটিতে পাঠানো হয়।

১৩৩টি স্কুল ইতিমধ্যেই স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। সে কারণে অনেকেই বিকল্প কর্মসংস্থানের দিকেই ঝুঁকছেন। টিকে থাকার জন্য কেও কেও আবার স্কুলগুলোকে ঠিক এভাবে মুরগির খামারও বানিয়ে ফেলেছেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...