The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

করোনা আক্রান্ত বাবার মুখে পানি দিতে মেয়েকে বাধা দিচ্ছেন মা! [ভিডিও]

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাভিশ্বাস অবস্থায় ঠেকেছে ভারত। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এমন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত বাবার মুখে পানি দিতে ভয়ে মেয়েকে বাধা দিচ্ছেন মা! এমন একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে।

করোনা আক্রান্ত বাবার মুখে পানি দিতে মেয়েকে বাধা দিচ্ছেন মা! [ভিডিও] 1

ভারতে করোনার প্রভাবে এমন অবস্থায় উপনিত হয়েছে যে, হাসপাতালে বেড নেই, পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাবে বহু মানুষ মারা যাচ্ছেন। কবরস্থানে, শ্মশানে উপচে পড়ছে মৃতদেহ, শ্মশানেও স্থান হচ্ছে না দাহ করার। সৎকার করারও কেও নেই। সংবাদ মধ্যমের পাতায় একের পর এক উঠে আসছে হৃদয়বিদারক নানা ঘটনা।

কোথাও কোথাও স্বামীর দেহ আকড়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন স্ত্রী, কোথাও বা ছেলেকে ফিরিয়ে না আনতে পারায় বুকফাটা আর্তনাদ মায়ের। আবার কোথাও বা চরম আমানবিকতার ছবি উঠে আসছে বিভিন্নভাবে। এই মর্মান্তিক চিত্রটি ভারতের তেলেঙ্গানার শ্রীকাকুলামের। সম্প্রতি সেখানকার ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, কিভাবে করোনা রোগীর সঙ্গে অমানবিক ব্যবহার করছেন স্থানীয় মানুষরা।

দেখা যাচ্ছে যে, বৃদ্ধ বাবাকে একটু পানি দিতে ছুটে যাচ্ছেন তার কিশোরী মেয়ে। তবে ভাইরাস হতে সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে তাকে সেই কাজেও বাধা দিচ্ছেন খোদ তারই মা। স্বামীর কষ্ট চোখে দেখেও মেয়েকে আগলে রাখার তাগিদেই এমন কাজ করছেন একজন নারী!

জানা যায়, সম্প্রতি বছর পঞ্চাশের ওই ব্যক্তি বিজয়ওয়াড়া হতে করোনা পজিটিভ হয়ে শ্রীকাকুলামে নিজের বাড়িতে ফেরেন। তবে ওই ব্যক্তিকে গ্রামে ঢুকতেই দেয়নি গ্রামবাসী।

গ্রামের বাইরে একটি ছোট্ট কুঁড়েঘরে রেখে দেওয়া হয় ওই করোনা রোগীকে। জনৈক এক গ্রামবাসীর করা ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, মাটিতে শুয়ে কাতরাচ্ছেন করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তি।

করোনা আক্রান্ত বাবাকে একটু পানি খাওয়াতে যাচ্ছেন তারই ১৭ বছরের কিশোরী মেয়ে। তবে তার মা তাকে যেতে বাধা দিচ্ছে। যদিও শেষ পর্যন্ত বাবাকে পানি খাইয়েছেন তার মেয়ে। এর ঠিক কিছুক্ষণ পরেই মারা যান ওই ব্যক্তি। গোটা পরিবারের রিপোর্টই পজিটিভ। তাদের আইসোলেশনে রাখা হয়।

ভিডিওটি দেখতে হলে Watch on YouTube এ ক্লিক করুন

দেখুন ভিডিওটি

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...