The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

করোনার মধ্যেও বন্ধ হলো না চীনে কুকুর খাওয়ার মেলা!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চীনে কুকুরের মাংস খাওয়ার প্রচলন আজকের নয়। শুধু যে নিত্য খাদ্যাভাস তা নয়, এই নিয়ে প্রতিবছর মেলাও বসে দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউলিন শহরে। এ বছর করোনা মহামারির মধ্যেও সেই মেলা শুরু হয়েছে!

করোনার মধ্যেও বন্ধ হলো না চীনে কুকুর খাওয়ার মেলা! 1

চীনের এই কুকুর খাওয়ার উৎসবে প্রতি বছরই যোগ দেন হাজার হাজার মানুষ। নানা পদের খাবারের পাশাপাশি সেখানে বিক্রি করা হয় খাঁচায় বন্দি জীবন্ত কুকুর। বাদ পড়ে না কয়েকদিন বয়সী ছোট ছোট কুকুরছানারাও।

গত বছরের শেষভাগে চীনের উহান শহর হতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে পুরো বিশ্বে। সেখানে প্রাণঘাতি এই ভাইরাস সংক্রমণের পেছনে বাদুড় খাওয়ার অভ্যাসকেই দায়ী করা হয়ে থাকে। তবে করোনা মহামারির মধ্যে চীনে বাদুড়, সাপ, প্যাঙ্গোলিন, গিরগিটি ইত্যাদি খাওয়া অনেকটাই কমে গেছে। গত এপ্রিলে শেনজেন শহরে কুকুরের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এসবেও আটকায়নি ইউলিন শহরের এই কুকুর খাওয়ার মেলা। এবারও সেখানে খাঁচায় বন্দি কুকুর বিক্রির উৎসব শুরু হয়েছে।

পশুপ্রেমীরা বিশ্বাস করেন যে, এই বছরের পরেই হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে চীনে কুকুর খাওয়ার এই উৎসবটি। চীনা প্রশাসন বন্যপ্রাণী খাওয়া রোধে আইন করছে বলেও জানা যায়। পোষ্য প্রাণীদের রক্ষায় নতুন আইন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যে কারণে এরপর হয়তো কুকুরের প্রতি এমন নির্মমতার মেলা বন্ধ করা সম্ভব হবে।

চীনে পশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন হিউমেন সোসাইটি ইন্টারন্যাশনালের মুখপাত্র পিটার লি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, শুধু প্রাণীদের কথা চিন্তা করে নয়, মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার কথা ভেবেও ইউলিন শহরের এই উৎসবটি বন্ধ করা উচিত। কারণ হলো, কুকুর ও কুকুর মাংস কেনার জন্য স্থানীয় বাজার-রেস্তোঁরাগুলোতে যেভাবে ভিড় করা হচ্ছে তা বর্তমান পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক মনে হচ্ছে। যে কারণে এটি বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...