The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ইউটিউব চ্যানেল নিবন্ধনের আওতায় আনার চিন্তা-ভাবনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রীসভার কমিটির বৈঠকের পর গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন কমিটির প্রধান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ইউটিউবের স্থানীয় (দেশের) সব চ্যানেল নিবন্ধনের আওতায় আনার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। সেইসঙ্গে ইউটিউব চ্যানেলের কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ এবং তদারকিও করবে সরকার।

ইউটিউব চ্যানেল নিবন্ধনের আওতায় আনার চিন্তা-ভাবনা 1

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রীসভার কমিটির বৈঠকের পর গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন কমিটির প্রধান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, সরকার ইউটিউব এবং ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ঢাকায় একটি অফিস খুলতে বলবে।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, দেশের বড় কোনো ঘটনা সঠিকভাবে তদারকির প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করা হবে। দেশে বড় কোনো ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনা ঘটলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই সংক্রান্ত তথ্য এই কমিটির কাছে জমা দেবে। বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসে, ইউটিউব চ্যানেল খুলে যে যার মতো করে কনটেন্ট ছেড়ে দিচ্ছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে। যে কারণে প্রচলিত গণমাধ্যমের মতো চ্যানেলগুলো মনিটর করা সম্ভব হচ্ছে না বলে এক ধরনের ঝুঁকিও থেকে যায়। তাই চ্যানেলগুলোকে নজরদারির আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর বৈঠকে জোর দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ইউটিউব চ্যানেলগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে বৈঠকে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তাছাড়া রোহিঙ্গাদের ওপর নজরদরির জন্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২৪টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার স্থাপন করারও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এই বৈঠকে।

বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ভার্চুয়ালে বৈঠকে যুক্ত হয়েছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী। এ ছাড়াও আরও অংশ নেন পুলিশের আইজি বেনজীর আহমেদ, র‍্যাবের মহাপরিচালক, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...