The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এসি দুর্ঘটনা রোধে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে

একেকজন একেক কথা বলে থাকেন। যেসব কথার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তিও নেই

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মাঝে-মধ্যেই এটি দুর্ঘটনার কথা শোনা যায়। কোথাও এসি বিস্ফোরিত হলে বা এসিতে আগুন ধরে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনার কথাও শোনা যায়। এসি দুর্ঘটনা রোধে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা দরকার তা নিয়েই আজকের আলোচনা।

এসি দুর্ঘটনা রোধে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে 1

একেকজন একেক কথা বলে থাকেন। যেসব কথার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তিও নেই। যে যার মতো করে মনগড়া যুক্তি, কাহিনী উপস্থাপন করে থাকেন। যে কারণে মূল ফোকাসটাও হারিয়ে যায়। বৈদ্যুতিক বিশেষজ্ঞ এবং এসি নির্মাণের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের সঙ্গে জড়িতরা বলেছেন, এসিতে বৈদ্যুতিক কারণে আগুন লাগে না। এসির গ্যাসে নিজে থেকেই আগুন লেগে যাওয়ার আশঙ্কাও একেবারেই কম থাকে। অন্য আরও কিছু কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ‘আরেকটা বিষয়ও হয়তো হতে পারে, এসিতে যে গ্যাস ব্যবহার হয় সেটিই একটা সোর্স হিসেবে কাজ করতে পারে কিনা। এসিতে ক্লোরো ফ্লোরো বা ফ্রেয়ন গ্যাস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটার যে ধরনের বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করা হয় তা হলো, ননফ্লেমেবল কিংবা সহসা এটায় আগুন ধরে না। এটা লিক করলে খুব একটা গন্ধও পাওয়া যায় না। এটি বাতাসের চেয়ে চারগুণের মতো ভারি। প্রথমে লিক হলে ভারি হওয়ায় এটি মাটিতে চলে আসে। আবার তাপ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এটি চলেও যায়, বাতাসে কখনও জমে থাকে না। সেগুলো ইমফ্লেমেবল না হলে কখনও আগুন লাগে না। তবে হ্যাঁ, এই ধরনের গ্যাসেও আগুন লেগে যেতে পারে অতি উচ্চ তাপমাত্রা থাকার কারণে। কোনও কারণে আগুন লেগে যদি তাপমাত্রা ৯০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গিয়ে থাকে, তারপরে এসিতে যে গ্যাস থাকে সেই গ্যাস থেকেও তখন আগুন লাগতে পারে। তবে এই ৯০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে আগুন তুলবে কে? সেজন্যই অন্য গ্যাসের উপস্থিতি সেখানে অবশ্যই থাকতে হবে।’

বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে আরও বলেছেন, ‘বেশিরভাগ এসি দুর্ঘটনা হয় শর্ট সার্কিট হতে। এসির কম্প্রেসার বিস্ফোরণের ঘটনা খুবই বিরল ঘটে থাকে। অনেক সময় না বুঝে কম্প্রেসার বিস্ফোরণের কথা বলা হয়। অনেক সময় এসির আর্থিং করাও থাকে না। এটা অবশ্যই থাকতে হবে। এসির আর্থিং করা থাকলে বজ্রপাতের সময় কোনও রকম সমস্যা হয় না। তবে ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় এসি না চালানোই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।’

এসি দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে সন্দীপ কয়েকটি উপায়ের কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে রয়েছে কন্ডেন্সারে প্রচুর ধুলোবালি জমলে ভেতরে প্রচুর চাপ সৃষ্টি হয়। তাই নিয়মিতভাবে ধুলোবালি পরিষ্কার করা দরকার। কপার পাইপে যদি কোনও রকম ব্লক থাকে তাহলেও প্রেশার তৈরি হতে পারে। এসির ক্যাবল (অর্থাৎ তার) রেটিং অনুযায়ীই লাগাতে হবে। এক টনের এসিতে এক যেমন টনি ক্যাবল, দেড় টনি এসিতে ঠিক তেমনি দেড় টনি ক্যাবল ব্যবহার করতে হবে। সুইচ বোর্ডও ভালো হতে হবে। তা নাহলে হাই কারেন্ট ফ্লো হলে সেখান থেকে ‘ফায়ার’ (আগুন) হতে পারে। ক্যাবল সঠিক না হলে স্পার্কও হতে পারে। এছাড়াও নিয়মিত এসি সার্ভিসিংয়ের বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...