The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

যত্রতত্র ঘুমিয়ে পড়া আজব গ্রামের গল্প!

কাজাখস্তানের এই গ্রাম দুটির নাম কলাচি ও ক্রাসনোগোর্স্ক

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ রূপকথার ঘুমন্ত রাজপুরীর বাস্তব এক রূপ। মধ্য এশিয়ার কাজাখস্তানের দুটি গ্রামে যখন তখন মানুষ ঠিক এভাবেই ঘুমিয়ে পড়ে। বাইরে থেকে গেলেও শুধুই ঘুম পায়!

যত্রতত্র ঘুমিয়ে পড়া আজব গ্রামের গল্প! 1

কাজাখস্তানের এই গ্রাম দুটির নাম কলাচি ও ক্রাসনোগোর্স্ক। কাজাখের স্তেপ অঞ্চলে ছড়ানো এই জনপদদুটি যেনো সত্যি করেছে লর্ড টেনিসনের সৃষ্টি ইউলিসিসকেই।

সাবেক সোভিয়ের রাশিয়ার অংশ ছিল কাজাখ প্রদেশ তথা এই গ্রাম দুটি। এখনও এখানকার মূল বাসিন্দা হল রুশি ও জার্মানরা। বলা নেই‚ কওয়া নেই‚ এখানে মানুষ কাজ করতে করতে হঠাৎই ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুম হতে উঠলে মনে থাকে না আগের কোনো স্মৃতি। বিস্মরণের সঙ্গে থাকে মাথাব্যথা ও দুর্বলতাও। এরকমও দেখা গেছে যে, এক এক জন সারা দিনে মোট ৬ বারও ঘুমিয়ে পড়ছেন।

যেখানে সেখানে স্কুল‚ কাজের জায়গা‚ বাড়ি‚ সর্বত্র একই উপসর্গ দেখা যায়। ক্লান্তি ও শ্রান্তি। তারপর দু চোখ জুড়ে যেনো নেমে আসছে ঘুমের মাসি ঘুমের পিসি। শুধু মানুষের এমন ঘটছে তা নয়। এই ঘুমরোগের শিকার ওই গ্রাম দুটির পশু-পাখিরাও। ঘরে ঘুমোচ্ছে মানুষ আর বাইরে ঘুমাচ্ছে পোষ্যরা।

এই বিষয়ে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন‚ কোনও ভৌতিক কারণ এটি নয়। এই ঘুমরোগের পিছনে সক্রিয় বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। গ্রামদুটির কাছেই রয়েছে ইউরেনিয়াম খনি। সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার আমলে এটি ছিল এক সমৃদ্ধ খনি। বর্তমানে যা পরিত্যক্ত। তবে এই খনিজের ফলেই গ্রামের বাতাসে বেড়েছে কার্বন মনোক্সাইড ও হাইড্রোকার্বন। কমেছে অক্সিজেনও। যে কারণে স্থানীয় বাসিন্দা খুব সহজেই শ্রান্ত হয়ে পড়ছেন। যার ফলশ্রুতিতে ঘুমিয়ে পড়ছেন।

সোভিয়েত রাশিয়ার পতনের পর ওই গ্রামে কমে গেছে লোকসংখ্যা। অতীতের প্রায় ৬৫০০ জন লোকের বদলে বর্তমানে থাকেন মাত্র ২০০-র কিছু বেশি মানুষ। তাদেরকেও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিরাপদ কোনো স্থানে। বিষময় বিপজ্জনক গ্রামকে ফেলে রেখে চলে যাচ্ছেন অনেকেই।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...