The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

দূষণে বেহাল অবস্থা দিল্লির: বিপাকে করোনা রোগীরা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ লকডাউনের পর পরিষ্কার হয়ে যায় দিল্লির আবহাওয়া। কল-কারখানা বন্ধ থাকে। যানবাহনও চলছিল না। প্রতিবেশী রাজ্যে খড় পোড়ানোও হচ্ছিল না। তাই পরিবেশ পরিচ্ছন্নই ছিল। যমুনায় ফিরে এসেছিল নীলা পানি।

দূষণে বেহাল অবস্থা দিল্লির: বিপাকে করোনা রোগীরা 1

তবে এবার দিল্লিবাসীর কপালে এই সুখ দীর্ঘস্থায়ী হলো না। এখন আনলক পর্ব শুরু হয়েছে। স্কুল, কলেজ ছাড়া প্রায় সবকিছুই খুলে দেওয়া হয়েছে। তাই দিল্লি আবার ফিরে পেয়েছে ভয়ঙ্কর সেই দূষণ। রোদের তেজও নেই। ধোঁয়ার স্তর গ্রাস করেছে পুরো দিল্লিকে। কারণ হলো, প্রতিবেশী হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবে আবার বিপুল পরিমাণ খড়ও পোড়াচ্ছেন কৃষকরা। পাঞ্জাবে সরকারি হিসাব মতে, এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ১৬৫টি খড় পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছে সেখানে। হরিয়ানায় হয়েছে ৬ হাজার ৩৪টি।

পাঞ্জাবে গত বছর মোট খড় পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছিল ২১ হাজার ১৪টির মতো। তার অর্থ হলো পাঞ্জাবে এবার ইতিমধ্যেই দেড়গুণ বেশি খড় পোড়ানো হয়েছে। তারপর কি আর দিল্লির পরিবেশ ঠিক থাকতে পারে?

গত সপ্তাহে দিল্লির বায়ুদূষণের মাত্রা অনেকটাই লাগামছাড়াই ছিল। অধিকাংশ এলাকায় বাতাস ছিল স্বাস্থ্যের জন্য খুবই বিপদজনক। কয়েকটি জায়গা বেশ ভয়ঙ্কর। দিল্লির বায়ুদূষণের ৪০ শতাংশ অবদান পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার খড় পোড়ানোর মতো কাহিনী।

জানা যায়, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের পঞ্জাব শাখার সাধারণ সম্পাদক জগমোহন সিং সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ৬৮ শতাংশ কৃষক ৭ একর কিংবা তারও কম জমির মালিক। মেশিন ভাড়া করে খড় নষ্ট করার অবস্থায় তারা নেই। তার উপর কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি আইন নিয়েও তারা ভিষণ ক্ষুব্ধ। তাই অনেকেই বেশি করেই খড় পোড়াচ্ছেন। তবে খড় নষ্ট করার জন্য কৃষকদের সাহায্য করার কথা রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের। তারা কি সেই কাজ করছেন? সরকারি স্তরে কোনো নজরদারিও নেই, নেই খড় পোড়ানো বন্ধের কোনো উদ্যোগ।

বছরের পর বছর একই চিত্র। প্রতি বছর দূষণের পরিমাণ বাড়ছে। সেইসঙ্গে সময়সীমাও বাড়ছে। আগে দেওয়ালির কয়েকটা দিন খারাপ অবস্থায় হতো। এখন অনেকটা সময় ধরে দূষণের যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে দিল্লিবাসীদের।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...