The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

আবিষ্কার হলো বানরের নতুন প্রজাতি!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মিয়ানমারের একটি প্রত্যন্ত জঙ্গলে নতুন একটি বানরের খোঁজ পাওয়া গেছে, যে বানর সম্পর্কে এতোদিন বিজ্ঞানীদেরও কিছুই জানা ছিল না। পোপা পর্বতের নামানুসারে বানরটির নামকরণ করা হয় পোপা লাঙ্গুর।

আবিষ্কার হলো বানরের নতুন প্রজাতি! 1

তবে এই প্রাণীটি ইতিমধ্যেই বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ পুরো বিশ্বজুড়ে এই প্রজাতির সদস্য রয়েছে মাত্র ২০০টির মতো। এই প্রজাতি অর্থাৎ লাঙ্গুর হচ্ছে গাছের পাতা খায়, এটি এমন ধরণের বানর, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় যে প্রজাতি দেখা যায় না বললেই চলে।

এই প্রজাতির বানরটির বৈশিষ্ট্যই হলো, এদের চোখে চশমাসদৃশ গাঢ় বর্ণের বৃত্তাকার রিং বিদ্যমান যা পৃথক করেই চোখে পড়ে। এর গায়ের পশমের বর্ণও ধূসর।

জিন গবেষণায় দেখা যায় যে, পৃথিবীতে ১০ লাখ বছর পূর্বে যেসব বানর ছিল বলে গবেষণায় জানা যায়, তাদের চেয়ে এই পোপা লাঙ্গুর বানরের প্রজাতি একেবারেই পৃথক।

মূলত আবাসস্থল ক্ষতি ও শিকারের কারণে বানরের এই প্রজাতিটি বিলুপ্তির ঝুঁকির মধ্যেই রয়েছে। বুনো বানরের মলমূত্র থেকে পাওয়া ডিএনএ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা অনেক দিন ধরেই ধারণা করছিলেন, মিয়ানমারে বানরের নতুন প্রজাতিও রয়েছে। তবে এতোদিন ধরে কোনও রকম প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় তারা লন্ডন, লেইডেন, নিউইয়র্ক ও সিঙ্গাপুরের প্রাকৃতিক ইতিহাসের জাদুঘরগুলোতে থাকা বানরের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করতে শুরু করে দেন।

মিয়ানমারে প্রথমদিকের অভিযাত্রীরা এসব নমুনাও সংগ্রহ করেছিলেন, তবে যেগুলো সেভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি। সেই নমুনা হতে পাওয়া ডিএনএ বুনো বানরের সঙ্গে যাচাই করে দেখার পর নতুন এই প্রজাতিটি শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলের জঙ্গলে পোপা লাঙ্গুরের এই প্রজাতিটি পাওয়া যায়। পোপা পর্বতের তীর্থস্থানগুলোর কাছাকাছি অভয়ারণ্যে এরা বেশির ভাগ বসবাস করে। জার্মান প্রাইমেট সেন্টারের প্রাইমেট জেনেটিক্স ল্যাবরেটরির ক্রিস্টিয়ানা রোস এই বিষয়ে বলেছেন, আবাসস্থানের ক্ষতি ও শিকারের কারণে প্রাণীটি বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...