The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মডার্নার করোনা টিকার দাম কেমন হবে?

মডার্নার তৈরি করোনা টিকা ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ কার্যকর বলে জানানো হয়েছে আগেই। এবার তাদের টিকার দাম সম্পর্কে ধারণা দিয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ করোনা ভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের কাজ করেছে মার্কিন ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মডার্না। কিন্তু এই টিকার দাম আসলে কেমন হবে? জেনে রাখুন আজ সেই বিষয়টি।

মডার্নার করোনা টিকার দাম কেমন হবে? 1

মডার্নার তৈরি করোনা টিকা ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ কার্যকর বলে জানানো হয়েছে আগেই। এবার তাদের টিকার দাম সম্পর্কে ধারণা দিয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে যে, মডার্নার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্টেফানি ব্যানসেল জার্মান সাপ্তাহিক সাময়িকী ওয়েল্ট অ্যাম সোনট্যাগকে জানিয়েছেন যে, তাদের উৎপাদিত করোনা টিকা যে কোনো দেশের সরকার কিনতে চাইলে প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের দাম রাখা হবে ২৫ হতে ৩৭ ডলার। বাংলাদেশী টাকায় যার মূ্ল্য দাঁড়াচ্ছে ২১০০ হতে ৩১০০ টাকা।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের টিকার খরচ প্রায় ফ্লুর টিকার মতোই, যা ১০ থেকে ৫০ ডলারের মধ্যেই।’ তবে চাহিদার পরিমাণের উপর তাদের টিকার দাম কিছুটা তারতম্য হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইইউ কমিশন মডার্নার সঙ্গে কয়েক মিলিয়ন টিকার জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কাছে এর দাম ২৫ ডলারের নিচে রাখার কথাও বলা হয়েছে।

এ সম্পর্কে ব্যানসেল বলেন, ‘তাদের সঙ্গে কোনো চুক্তিই স্বাক্ষরিত হয়নি, তবে ইইউ কমিশনের সঙ্গে আমরা চুক্তির দ্বারপ্রান্তেই রয়েছি। আমরা ইউরোপেও আমাদের টিকা দিতে চাই, সে জন্য গঠনমূলক আলোচনা চলছে।’ এটি এখন সময়ের অপেক্ষা বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

ইতিপূর্বে মডার্না জানিয়েছিল যে, তাদের তৈরি টিকা করোনা প্রতিরোধে ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর। টিকাটির শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল হতে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী এই দাবি করেছেন তারা। কার্যকরের দিক হতে মডার্নার করোনা টিকা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বলেও জানা যায়। মার্কিন ওষুধ কোম্পানি ফাইজার তাদের করোনা টিকা ৯৫ শতাংশ কার্যকর বলেও দাবি করেছেন। টিকাটি আবিষ্কারে ফাইজারের সঙ্গে রয়েছে জার্মান ওষুধ কোম্পানি বায়োএনটেকও।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...