The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

অদ্ভুত এক কাপ তৈরি করে যিনি হয়েছেন কোটিপতি!

এমন একটা সময় ছিল যখন পুরুষরা আজকালের তুলনায় তাদের গোঁফের প্রতি অনেক বেশিই মনোযোগ দিতেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সত্যিই অদ্ভত এক কাপ! দেখলেই আপনিও বুঝতে পারবেন এর নতুনত্ব। ঠিক এমন অদ্ভুত এক কাপ তৈরি করে এক ব্যক্তি হয়েছেন কোটিপতি!

অদ্ভুত এক কাপ তৈরি করে যিনি হয়েছেন কোটিপতি! 1

এমনই এক চাঞ্চল্যকর কাপ আবিষ্কার হয়েছিল ভিক্টোরিয়ান যুগে, তবে সেটি হয়েছিলো বিশাল সব গোঁফ বাঁচাতে। যে কারণে কোটিপতি হয়ে গিয়েছিলেন এর আবিষ্কারক। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ব্যতিক্রমী এই কাপ সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য।

এমন একটা সময় ছিল যখন পুরুষরা আজকালের তুলনায় তাদের গোঁফের প্রতি অনেক বেশিই মনোযোগ দিতেন। দৈনন্দিন ছাঁটাই ও বিশেষ মোমের ব্যবহার ছাড়াও ভিক্টোরিয়ান যুগে গোঁফপ্রেমীরা তাদের গোঁফ সযত্নে রাখার জন্য পেয়ে যান এক অদ্ভুত সামগ্রী।

মুসটাসে কাপ বা যাকে বলা হয়ে থাকে গোঁফ কাপ। এই সময়ের ভদ্রলোকরা গর্বের সঙ্গেই রাখতেন গোঁফ। শুধু গোঁফ রাখলেই হবে না, তার পেছনে খাটুনিও করতে হয় বেশ। গোঁফকে হতে হবে দৃঢ় ও শক্ত।

আর সেই গোঁফ সঠিকভাবে সাজানো থাকবে, খুব বেশি লম্বা করা যাবে না এই গোঁফ, আবার খুব ছোটও হবে না। গোঁফ সোজা রাখার জন্য বিশেষ ধরনের মোম ব্যবহার করা হতো সেই সময়। ভিক্টোরিয়ান যুগের লোকজন তাদের কোটের পকেটের ভিতরে এক বিশেষ চিরুনিও বহন করতেন, এই গোঁফ আঁচড়ানোর জন্য।

এই বিশেষ দুই ইঞ্চি লম্বা ভাঁজ করা চিরুনিটি প্রায়ই কচ্ছপের খোল এবং রূপা দিয়ে তৈরি করা হতো। ওই সময় পুরুষরা অনেকেই তাদের গোঁফ রং করতেন যাতে করে তাদেরকে বয়ষ্ক লোক না দেখায়।

যেহেতু ব্রিটেনে চা পান এক ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিলো, তাই সবাই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। চা পান করা কিংবা গোঁফ ত্যাগ করা, কোনোটিই তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। কিছু একটা উপায় খুঁজে বের করা জরুরি হয়ে দাঁড়ায় তখন। এমন সময় তৈরি হয় মুসটাসে কাপ কিংবা এই গোঁফ কাপ।

হার্ভি অ্যাডামস নামে জনৈক ব্রিটিশ মৃৎশিল্পী ১৮৬০ সালে গোঁফ কাপ আবিষ্কার করেছিলেন। দেখতে অনেকটা চায়ের কাপের মতোই হলেও এতে গোঁফের জন্য একটা গার্ড ব্যবস্থা থাকতো।

বিষয়টা বাস্তবে খুব সহজই মনে হয়, কাপের মুখের দিকে গোঁফের জন্য পৃথক একটা গার্ড রাখা থাকতো। তার নিচের দিকে থাকতো একটা পৃথক ছিদ্র। যা দিয়ে চা পান করা যেতো খুব সহজেই। তবে এতে গোঁফ ভেজার কিংবা মোম গলে যাওয়ার কোনো ভয়ই থাকতো না।

এই আবিষ্কৃত গোঁফ কাপ অল্পদিনের মধ্যেই তাৎক্ষণিক সাফল্য পেয়ে যায়। সমগ্র ব্রিটেন জুড়ে এই কাপ ব্যাপকভাবে বিক্রি হতে শুরু করে। এরপর এই কাপ ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তারপর থেকে বিপুল পরিমাণে গোঁফ কাপ উৎপাদন শুরু হয়ে যায়। আবিষ্কারক এতোটাই ধনী হয়ে ওঠেন যে, তিনি এই চাঞ্চল্যকর আবিষ্কারের ১৫ বছর পরই অবসর গ্রহণ করেন।

অপরদিকে কাপ উৎপাদকরা ক্রমশ বাজারে ম্যাচিং প্লেট আনতে থাকেন। এমনকি কিছু কাস্টম কাপ তৈরি করা হতে থাকে যাতে কাপের উপর মালিকের নামও লেখা থাকতো। কিছুদিনের মধ্যেই ব্রিটিশ, জার্মান, আমেরিকান ও জাপানে এই গোঁফ কাপ তৈরি হতে থাকে। মুসটাসে কাপ কিংবা গোঁফ কাপ, সেই আমলের পুরুষদের জন্য এক অপরিহার্য সামগ্রীতে পরিণত হয়।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...