The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মক্কা-মদিনায় বিশেষ ব্যবস্থায় জমজমের পানি বিতরণ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দীর্ঘদিন বন্ধের পর আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে ২৩ মার্চ থেকে নতুন করে আবারও মক্কার কুদাই এলাকায় অবস্থিত কিং আবদুল্লাহ প্রজেক্ট থেকে জমজমের পানি বিতরণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

মক্কা-মদিনায় বিশেষ ব্যবস্থায় জমজমের পানি বিতরণ 1

হারামাইন প্রেসিডেন্সির চেয়ারম্যান এবং মসজিদে হারামের প্রধান ইমাম শায়খ আবদুর রহমান আস সুদাইস জানিয়েছেন যে, রমজানে শুক্রবার ছাড়া অন্য সব দিনই দুপুর ১টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত জমজম কূপের পানি বিতরণ করা হবে।

সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে, জাতীয় পানি বিতরণ সংস্থা গ্রাহকদের জন্য তাদের দ্বার উন্মুক্ত করে দেবে। স্বাভাবিকভাবেই রমজান মাসে জমজমের পানির চাহিদা বেড়ে যায়, সে কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ভ্যাটসহ ৫ লিটার জমজমের একটি বোতল ৫ দশমিক ৫ রিয়ালে পাওয়া যাবে। ১৫ দিন পর পর যে কেও সর্বোচ্চ চার বোতল পানি সংগ্রহ করতে পারবেন।

ওই প্রকল্পের আওতায় থাকায় কাস্টমার সেন্টারে একসঙ্গে ৬০ জনকে সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। করোনা মহামারির কারণেই সেখানে লোকজনের চলাচলের উপর সীমাবদ্ধতা আনা হয়েছে।

খবরে আরও বলা হয় যে, কুদাই এলাকায় অবস্থিত পানি বিতরণ প্রকল্পের সদর দফতর থেকেও জমজমের পানির বোতল সংগ্রহ করা হবে। এছাড়াও সাধারণ মানুষের জন্য হাইপারমার্কেট ও সুপারমার্কেটে ৫০ লাখ বোতল জমজমের পানি সরবরাহ করা হবে। আগ্রহীরা সেখান থেকেও এই পবিত্র জমজমের পানি সংগ্রহ করতে পারবেন।

হারামাইন পরিচালনা সূত্রে জানানো হয়েছে যে, কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে তারা ইতিমধ্যেই সব ধরনের সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছেন। ২০১০ সাল থেকে প্রয়াত সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহর নেতৃত্বে হজযাত্রী ও মক্কা-মদিনার পবিত্র ২ মসজিদে আসা দর্শনার্থীদের জমজমের পানি বিতরণ করা হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, মসজিদে হারামে আগতদের জমজমের পানির চাহিদা মেটাতে বিশেষভাবে তৈরি পানির কন্টেইনারবাহিত বাহন উদ্বোধন করেছেন হারামাইন পরিচালনা পরিষদের প্রেসিডেন্ট শায়খ আবদুর রহমান আস সুদাইস।

২১ মার্চ মসজিদে হারামে জমজম পানি বিতরণের জন্য প্রস্তুতকৃত বিশেষ বাহন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে হারামাইন বিষয়ক পরিচালনা কমিটির সহকারী পরিচালক সাদ বিন মুহাম্মদ আল মুহাইমিদও উপস্থিত ছিলেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...