The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

এইচ আর অ্যান্ড এ কে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ: যে মানবিক সাহায্যের কারণে জীবন ফিরে পাচ্ছে মানুষ

শুধু অক্সিজেন নয় এই ফাউন্ডেশনের দানের পরিধি রয়েছে অন্য ক্ষেত্রেও

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আপনি একবার ভাবুন; করোনা পরিস্থিতে অক্সিজেন সিলিন্ডারের কতোটা প্রয়োজন। একজন মানুষের জীবন হয়তো বেঁচে যেতে পারে এই অক্সিজেনের কারণে। সেই মহামূলবান অক্সিজেন আপনি পেতে পারেন বিনামূল্যে! ঠিক তাই এমন মানবিক কাজ করছে এইচ আর অ্যান্ড এ কে ফাউন্ডেশন।

জীবন দাতা ও জীবন হরণ দুটিই একজনের হাতে, অর্থাৎ মহান রাব্বুল আলামিন। তিনিই জীবন দেন এবং জীবন নেন্। তবে দুনিয়াতে কিছু মানুষ উসিলা হন জীবন রক্ষায়। তেমনই একটি মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপনকারীদের নিয়ে রচিত হয়েছে এই প্রতিবেদনটি।

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী। ঈশ্বরদী পোস্ট অফিস মোড়ে হোমিওপ্যাথি ডাক্তারে চেম্বারে গেলে আপনি পেতে পারেন এই অক্সিজেন। হোমিও ডা. আনোয়ারুল ইসলাম ও কামরুল ইসলাম দুজনে মিলে এই অক্সিজেন বিতরণ করছেন। বাংলদেশী বংশদ্ভুত আমেরিকান প্রবাসী মো. মোজাহিদুর রহমান আমেরিকাতে তাঁর নিজের বাবা-মায়ের (হাবিবুর রহমান ও আছিয়া খাতুন) নামে একটি সাহায্য সংস্থা করেছেন। যার নাম এইচ আর অ্যান্ড এ কে ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন অক্সিজেন খরচ বহন করছে। শুধু অক্সিজেন নয় এই ফাউন্ডেশনের দানের পরিধি রয়েছে অন্য ক্ষেত্রেও। যেমন গরীবদের দাফনের ব্যবস্থা করা। যাদের সামর্থ নেই তাদের জন্য রয়েছে দাফন প্যাকেজ। গোরস্তানের খরচ হয় ২৬০০ টাকা, কাফনের কাপড়সহ মোট ৫ হাজার টাকার এই প্যাকেজ দেওয়া হয় দু:স্থদের। করোনার লাশ দাফনের জন্যও রয়েছে একটি প্রোটেকশন টিম। এই টিম বিনা খরচে লাশ ধোয়ানো ও দাফনের ব্যবস্থা করে থাকে।

এইচ আর অ্যান্ড এ কে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ: যে মানবিক সাহায্যের কারণে জীবন ফিরে পাচ্ছে মানুষ 1

ডা. আনোয়ারুল ইসলাম এই অক্সিজেন বিতরণ করছেন দিন রাত। যখন কোনো করোনা রোগীর অক্সিজেন প্রয়োজন পড়ছে। ছুটে আসছেন তার কাছে। সেই অক্সিজের পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। যাদের অক্সিজেন সিলিন্ডার আনা-নেওয়ার খরচ বহন করার ক্ষমতা নাই তাদের সেই খরচও দিয়ে দেওয়া হয়। তারপর কয়েকটি থাকার পর রোগী সুস্থ্য হলে আবার সিলিন্ডারটি ফিরিয়ে দিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আবার অক্সিজেন ফুরিয়ে গেলে সেটি রিফিল করে দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়। এভাবে বেশ কয়েকটি সিলিণ্ডার নিয়ে রোগিদের সেবা করার এই মহান ব্রত এগিয়ে চলেছে। বর্তমানে ডা. আনোয়ারের তত্বাবধানে রয়েছে ৫টি সিলিন্ডার। অপর একটি গ্রুপকেও দেওয়া হয়েছে আরও ৮টি সিলিন্ডার। ঈশ্বরদীস্থ নর্থ বেঙ্গল অক্সিজেন লিমিটেড হতে অক্সিজেন রিফিল করা হয়।

এদিকে এই ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো. মোজাহিদুর রহমানও ঈশ্বরদীরই সন্তান। তিনি বিগত প্রায় ২৫ বছর যাবত পরিবার নিয়ে আমেরিকাতে বসবাস করছেন। করোনার এই সময় তিনি দেশের মানুষের জন্য এভাবে এগিয়ে এসেছেন। নি:শ্বার্থভাবে অর্থদিয়ে প্রবাস থেকে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

ডা. আনোয়ারুল ইসলাম দি ঢাকা টাইমসকে জানিয়েছেন, আমরা সব সময় অপেক্ষায় থাকি। ফোন করলে বা কেও শরীরে এলেই আমরা অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে থাকি। অক্সিজেন সিলিন্ডারের সঙ্গে নল মাস্কসহ প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট দেওয়া হয়। তিনি জানান, আমরা সব সময় প্রস্তুত আছি অসহায় মানুষদের জন্য। আমার নিজ হোমিও চিকিৎসাও করে থাকি করোনায় আক্রান্ত রোগীদের। করোনা কখনও আমাদের এই সেবা থেকে দূরে রাখতে পারেনি।

করোনা ভাইরাসের এই সময় অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়েছে অনেক গুণ। এমন পরিস্থিতিতে দেশের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন সংকট দেখা দিয়েছে। কারণ করোনায় আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ করে যাদের অবস্থা খুব খারাপ তাদের প্রাথমিকভাবেই প্রয়োজন পড়ে অক্সিজেন। তাই ডা. আনোয়ারুল ইসলামের এই (ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে) উদ্যোগকে এলাকার সকলেই সাধুবাদ জানিয়েছেন। এভাবে যদি দেশের সবাই বিশেষ করে যাদের সামর্থ রয়েছে তারা যদি এগিয়ে আসেন তাহলে করোনায় আক্রান্ত অসহায় মানুষগুলো বাঁচার পথ খুঁজে পাবেন।

অসহায়দের পাশে শামসুর রহমান শরীফ হোমিও প্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

ঈশ্বরদীর অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছে শামসুর রহমান শরীফ হোমিও প্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। অসহায় মানুষদের চিকিৎসা সেবায় এই হাসপাতালটি এগিয়ে এসেছে।

হোমিও ডা. আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, যেসব মুমূর্ষ রোগীদের বেডের প্রয়োজন পড়ে আমরা তার ব্যবস্থা করে থাকি। ঈশ্বরদীস্থ শামসুর রহমান শরীফ হোমিও প্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বেডের ব্যবস্থা করা হয়। যে কোনো ধরনের অসহায় রোগীদের ক্ষেত্রেই এটি করা হয়। অর্থাৎ হার্ট, অ্যাজমা বা করোনা রোগীদের বেডের ব্যবস্থা করা হয়।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx