The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের আপত্তি স্বত্ত্বেও ‘ঈদের দিন’ ভোট!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দফায় দফায় চলছে বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী এবারের বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে আট দফায়। ইতিমধ্যে ৫ দফায় নির্বাচন শেষ হয়েছে। পরবর্তী দফা ১৩ মে নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ ওই দিন ঈদ হওয়ার কথা!

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের আপত্তি স্বত্ত্বেও ‘ঈদের দিন’ ভোট! 1

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। দ্বিতীয় দফায় দাপট দেখাতে শুরু করেছে করোনা। সংক্রমণের নয়া রেকর্ড হচ্ছে প্রতিদিন। এর মধ্যেও চলছিল রাজনৈতিক সমাবেশ। করোনার হাত থেকে রেহাই পাননি প্রার্থীরাও। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সামশেরগঞ্জ কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হক এবং জঙ্গিপুরের আরএসপি প্রার্থী প্রদীপ নন্দী।

আগামী ২৬ এপ্রিল সপ্তম দফায় মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে ভোট হওয়ার কথা ছিল। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রীতিমাফিক মুর্শিদাবাদের ওই দুটি কেন্দ্রে নির্বাচন বাতিল করতে হয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশনকে। তারপরই এদিন নির্দেশিকা জারি করে একুশের নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর আগামী ১৩ মে এই দুই কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করে কমিশন। ভোটগণনা হবে আগামী ১৮ মে।

শুরু হয়েছে ইসলাম ধর্মের পবিত্র মাস রমজান মাস। ৩০ দিন রোজা রাখার পর খুশিতে মেতে ওঠে সকল ইসলাম ধর্মের মানুষ। এবছর ১৩ মে ঈদ হওয়ার কথা। যে কারণে ক্ষুদ্ধ হয়েছেন ইসলাম ধর্মের ভোটাররা। ইসলাম ধর্মে বছরের সবচেয়ে বড় দুটি উৎসবই হলো ঈদ- উল ফিতর এবং ঈদ উল আযহা। এবছর ঈদ উল ফিতরের দিন নির্বাচন ঘোষণা করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সেখানকার ইসলাম ধর্মের মানুষ।

মুসলিমদের উৎসবের দিন ভোটের তারিখ দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও।

মমতা বন্দোপাধ্যায় মুর্শিদাবাদে এক জনসভায় নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা ঈদের দিন ভোট দিলেন কেনো?’ তিনি তাচ্ছিল্যের সুরে বলেন, ‘ইলেকশন কমিশন মনে হয় ক্যালেন্ডারই দেখেনি। ঈদের দিন, পুজোর দিন মাথায় রেখেই কাজ করা উচিত।’

কমিশনের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আপনি ঈদের দিনে ভোট দিন আর পুজোর দিনে ভোট দিন না কেনো, মনে রাখবেন, যার ভোট দেওয়ার সে ভোট দেবেই। এভাবে আপনারা কখনও রুখতে পারবেন না।’

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...