The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মাত্র ৫০ টাকায় কেনা যায় গরুর মাংস!

৫০ টাকায় গরুর মাংস কেনার কথা ভাবা যেতো এখন থেকে অন্তত ৪০ বছর আগে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ অনেকেই হয়তো এমন খবর পড়ে ভুয়া খবর ভাবতে পারেন। কিন্তু ভুয়া নয়, বাস্তবেই রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১২ নম্বরে এমন একটি মাংসের দোকান রয়েছে যেখানে মাত্র ৫০ টাকায় কেনা যায় গরুর মাংস!

মাত্র ৫০ টাকায় কেনা যায় গরুর মাংস! 1

৫০ টাকায় গরুর মাংস কেনার কথা ভাবা যেতো এখন থেকে অন্তত ৪০ বছর আগে। কিন্তু এখন ৫০ টাকায় গরুর মাংস কেনার কথা ভাবাই যায় না। কারণ প্রতিদিনই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর দাম। আকাশ ছোঁয়া দামে হাঁসফাঁস অবস্থা হয়েছে মধ্য ও নিম্নবিত্তদের জীবন যাপন।

তবে মাত্র ৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রির কথা হয়তো খানিকটা স্বস্থির কথা ভাবতে পারেন অনেকেই। রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বরের ই-ব্লকের ৩৩ নম্বর সড়কের ঠিক পশ্চিম দিকে অবস্থিত বিহারি পট্টিতে। সেখানে গেলেই চোখে পড়বে ‘ভাতিজা শহিদ এবং শরিফের
দোকান’ নামে একটি মাংসের দোকানের। প্রতিদিন সকাল ৮টা হতে রাত ১১টা পর্যন্ত বিক্রি চলে। মূলত গরু এবং মুরগির মাংস বিক্রি করেন তারা।

জানা যায়, শহিদ ও শরিফ ৭ ভাই এবং এক বোন। তাদের সঙ্গে রয়েছেন বাবা এবং মা। তাদের বসবাস বিহারী পট্টিতেই। বড় দুই ভাই বয়সে কিশোর হলেও সংসারের হাল তারাই সামলাচ্ছেন। তাদের ওই দোকানটিতে যে কোনো পরিমাণে মাংস বিক্রি করা হয়। যে কেও চাইলেই ৫০ টাকােতেও কিনতে পারবেন গরুর মাংস। কেও চাইলে যে কোনো অংকের টাকায় কলিজা কিংবা মুরগির মাংসও কিনতে পারেন তাদের দোকান থেকে। দুই ভাইয়ের নিজেদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলেও গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি রয়েছে তাদের মধ্যে এক অনন্য মানবিকতা।

এ সম্পর্কে গণমাধ্যমকে শরীফ বলেন, যাদের মাংস খেতে খুব ইচ্ছে করে তবে দাম বেশি হওয়ার কারণে তা কিনতে পারেন না, মূলত তারাই আমাদের এখান থেকে মাংস কেনেন। ১৫ বছর ধরে দোকান ঠিক এভাবেই চলছে। আগে আমার বাবা চালাতেন, এখন আমরা এই দোকান চালাই।

শরীফ আরও বলেছেন, যে কেও যে কোনো পরিমাণে মাংস কিনতে পারেন আমাদের দোকান থেকে। অবশ্য কম পরিমাণ মাংস বিক্রি করলে তাদের লাভ হয় না। কারণ এসব মাংসে তারা কখনও হাড় দেন না। তবুও গরিব মানুষের জন্য তারা এই ব্যবস্থাটি সব সময় রেখেছেন।

এক বৃদ্ধ লোক প্রতিদিন নিয়মিত গরুর মাংসের ক্রেতা। তবে তিনি প্রতিদিনই ৫০ টাকার মাংস কেনেন। সে মাংসের টুকরা ছোট ছোট করে কেটে দেন শরীফ। এভাবে কিছু গরিব ক্রেতার কাছে মাংস বিক্রি করে নাকি তৃপ্তি পান তারা। তাই তাদের ওই এলাকার মানুষ এক নামেই চেনেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...