The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

জনপ্রিয় গান সৃষ্টির প্রচেষ্টা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রের মতো সংগীত জগতেও এবার প্রয়োগ করা হচ্ছে। এটি অসংখ্য মানুষের পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে এআই সাফল্যের ফর্মুলা দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় গান সৃষ্টির প্রচেষ্টা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে 1

ডয়েচেভেলের এক খবরে বলা হয়, যে গান শুনে গায়ে কাঁটা দেয়, এখন পর্যন্ত সেটির ক্ষেত্রেও নিশ্চিত কোনো ফর্মুলা পাওয়া যায়নি। গবেষক হিসেবে ইয়ুলিয়া ব্রিশটেল গান শোনার সময় শ্রোতার ত্বকের পরিবাহিতা পরিমাপও করেছেন৷ সেই প্রক্রিয়ায় মানসিক চাপ কিংবা ইতিবাচক আবেগ চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে৷ একটি গানই তার মধ্যে এমন আবেগ জাগিয়ে তোলে। ব্রিশটেল মনে করেন যে, সেই গানে নারীকণ্ঠের সঙ্গে সুরের এমন সংযোগ রয়েছে যে, সেটি তার হৃদয় ছুঁয়ে যায়, সেই সৌন্দর্য্য গভীরভাবে নাড়াও দেয়। সিগন্যালের মধ্যেও সেই প্রতিক্রিয়াটি দেখা যায়।

এমন অনুভূতি কী শুধু তার একার হয়? বড় আকারে পরিমাপ চালিয়ে লার্নিং সফটওয়্যারের জন্য এমন তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব, যা বেশিরভাগ মানুষের আবেগেরই চাবিকাঠি।

একটি ফর্মুলায় বেশ কাজও হয়। সফল সংগীত নতুন করে সাজালেও মানুষের তা পছন্দ হবে। আজকাল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেই কাজটি সারতে পারে। ২০১৬ সালের গান ড্যাডিস কার প্রথম এআই কম্পোজিশন ছিলো। কম্পিউটারকে বিটলস গোষ্ঠীর ৪৫টি গানের ভিত্তিতে নতুন কিছু সৃষ্টি করার কাজ দেওয়া হয়েছিল। সর্বাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স সফটওয়্যার এমনকি পুরানো হিট গানও স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে সক্ষম। তবে একটি কারণে নতুন হিট সৃষ্টি এখনেও সম্ভব হয়নি।

সপ্তাহান্তে আয়োজিত এই উৎসবে সংগীতের সুর ও তালে মেতে ছিলেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ। মহামারি শুরুর পর খোলা আকাশের নীচে এই প্রথম এমন আয়োজন দেখলো লিভারপুলের মানুষগুলো। ছবিতে উৎসবে আসা দর্শকদের উন্মাদ নাচ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষক হিসেবে ড. স্টেফান বাউমান এর কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন যে, ব্যর্থ প্রেম, মানসিক অবসাদ, মাদকে আসক্তি কিংবা প্রবল উৎসাহের সময় কতো গানই লেখা হয়েছে। যন্ত্রের তো কিন্তু ঘাম হয় না! বিদ্যুৎ সংযোগ থাকলেই কাজ করে। কম্পিউটারের নশ্বরতার বোধও নেই। সেটি লাগামহীনভাবে চলতেই থাকে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...