The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

পুলিশকে জড়িয়ে ধরার জন্য ৯১১-এ কল!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা সবাই জানি সাধারণ জনগণ বিপদে পড়লে জাতীয় জরুরি পরিষেবা নাম্বারে কল করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চেয়ে থাকেন। তবে কেও কখনও পুলিশকে জড়িয়ে ধরার জন্য সাধারণত জরুরি পরিষেবার নাম্বারে কখনও কল দেয় না। তবে এবার এমনই এক বিচিত্র ঘটনা ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়।

পুলিশকে জড়িয়ে ধরার জন্য ৯১১-এ কল! 1

সংবাদ মাধ্যমের এক খবরে জানা যায়, ফ্লোরিডার এক পুলিশ অফিসারকে জড়িয়ে ধরার জন্য ৯১১-এ কল করেছিলো এক শিশু। প্রথমে কল পেয়ে পুলিশ ভেবেছিল হয়তো তার কোনো জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। তবে পরে জানতে পারলো পুলিশের ডেপুটিকে জড়িয়ে ধরতে চায় ওই শিশুটি!

হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিসের পোস্ট করা একটি বডিক্যাম ফুটেজে দেখা যায় যে, ওই ডেপুটি স্কট প্রাচ্ট ছেলেটির মায়ের সঙ্গে কথা বলছেন।

ডেপুটি প্রাচ্ট ও ভিডিওতে বলেছেন, ‘সবকিছু ঠিক আছে তো? ৯১১-এ আমরা একটি কল পেয়েছি।’

অফিসারের কথার জবাবে শিশুটির মা জানান যে, ‘আমার ছেলের সঙ্গে কথা বলে দেখি। আসলে সে জানেওনা ৯১১ জিনিসটা আসলে কি।’

পরে ওই নারী তার ছেলেকে ফোন নিয়ে বাইরে আসতে বলেন ও জানতে চান সে এই পুলিশকে কল করেছে কিনা। তখন শিশুটি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তাকে জড়িয়ে ধরতে চেয়েছিলাম।’

উত্তর শুনে অফিসার শিশুটিকে জড়িয়ে ধরে। সে জানায় যে, ৯১১ যে তার নাম্বার এটা সে জানতো। পরে তিনি শিশুটিকে বুঝান যে, এই নাম্বার শুধু জরুরি প্রয়োজনের জন্যই ব্যবহার করা যায়। শুধু কোনো দুর্ঘটনার শিকার হলে সাহায্যের জন্য ‍এই নাম্বারে কল করতে হয়।

ব্যাখ্যা শোনার পর শিশুটি পুলিশকে ‘সরি’ বলে। পুলিশ অফিসারও তাকে কোমলভাবে বিষয়টি বুঝিয়ে দেন।

এই ভিডিওটি নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর সবার মন জয় করেছে। শিশুটির প্রতি পুলিশের সুন্দর আচরণের জন্য সকলেই প্রশংসাও করেছেন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali