The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

নিঃশব্দে চুরি হলো ১০ লক্ষ টাকার পায়রা!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এক পাখি ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, তিনি গত ২০ বছর ধরে পায়রা পুষছেন এবং তা বিক্রি করেন। সকালে উঠে তিনি ছাদে এসে দেখতে পান যে, তার সমস্ত খাঁচা খালি হয়ে গিয়েছে!

নিঃশব্দে চুরি হলো ১০ লক্ষ টাকার পায়রা! 1

একটি দুটি নয়, গুনে গুনে ৪০০টি পায়রা ছিলো তার। নিঃশব্দে মিরাটের একটি বাড়ি হতে চুরি করে নিয়ে গেছে চোর। মিরাটের লিসাড়ি গ্রামের অদ্ভুত এই চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর শুরু হয়েছে সমালোচনা। নেটমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে এই ঘটনাটি। চুরি যাওয়া পাখির মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা! চুরির ঘটনার পর একটি ভিডিও নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ওইসব পাখির মালিক খালি খাঁচাগুলো দেখাচ্ছেন যেখানে পায়রাগুলো রাখা হয়েছিল।

সংবাদমাধ্যমে পাখি ব্যবসায়ী জানিয়েছেন যে, তিনি গত ২০ বছর ধরে পায়রা পুষছেন এবং তা বিক্রিও করেন। সকালে উঠে তিনি ছাদে এসে দেখতে পান যে, তার সমস্ত খাঁচা খালি হয়ে গিয়েছে। প্রথমে নিজের চোখকেও যেনো বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। চোরেরা টুঁ শব্দ না করে শয়ে শয়ে পাখি নিয়ে পালিয়েছে দেখে ওই পাখির মালিক হতবাক হয়ে যান। তার মতে চোরেরা ছাদে পৌঁছোনোর জন্য একটি সিঁড়ি ব্যবহার করতে হয়েছিল ও পাখি চুরি করেছিল। চুরি করার সময় কোনও শব্দ না করে কীভাবে পাখি চুরি করতে সক্ষম হয়েছে তারা সেই কৌশল এখনও স্পষ্ট নয়।

অনেকেরই সন্দেহ করছেন যে, চোরেরা পাখির খাঁচা পর্যন্ত পৌঁছাতে কোনও বিশেষ কৌশল কিংবা হাতিয়ার ব্যবহার করেছিল। সে কারণে পাখিগুলো ডানা ঝাপটায়নি কিংবা শব্দও করেনি। স্থানীয় লিসাড়ি থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। চোরদের সম্পর্কে সূত্র খুঁজে পেতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali