The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

আদালতের রায় ॥ মানবতা বিরোধী অপরাধে আলিমের আমৃত্যু কারাদণ্ড

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল আলীমের বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

Abdul alim

আজ (৯ অক্টোবর) বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আলীমের এই রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দু’সদস্য হলেন বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম।

আলীমের বিরুদ্ধে মোট ১৭টি অভিযোগ আনা হয়। এর ১, ২, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১২ ও ১৪ নম্বর অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ৩, ১১, ১৩, ১৫, ১৬ ও ১৭ নম্বর অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া ৪ ও ৫ নম্বর অভিযোগে কোনো সাক্ষী প্রসিকিশন হাজির করতে পারেনি।

এরমধ্যে ২, ৮, ১০ ও ১৪ নম্বর অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ৬, ৭, ৯ ও ১২ নম্বর অভিযোগে ২০ বছর করে দণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া ১ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর দণ্ড দিয়েছেন।

আজ বুধবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারপতি শাহীনুর ইসলাম রায়ের ১৯১ পৃষ্ঠার সারসংক্ষেপ পড়া শুরু করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া রায়ের দ্বিতীয় অংশ পড়েন। এরপর ট্রাইব্যুনাল প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সাজা ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জয়পুরহাট ও তার আশপাশ এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১১ সালের ২৭শে মার্চ জয়পুরহাটের বাড়ি থেকে বিএনপি নেতা আবদুল আলীমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৩১শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ৮২ বছর বয়সী অসুস্থ আবদুল আলীমকে হাজির করা হয়। বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ শারীরিক কারণ দেখিয়ে ১ লাখ টাকা মুচলেকা ও ছেলে ফয়সাল আলীম, আইনজীবী তাজুল ইসলামের জিম্মায় জামিন দেন আলীমকে। পরে মামলা চলাকালীন আলীমের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ জামিনের মেয়াদ দফায় দফায় বাড়ানো হয়। ২০১২ সালের ১৫ই মার্চ তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে প্রসিকিউশন। এতে একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ভিন্নমতাবলম্বীদের দেশান্তরি হতে বাধ্য করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আলীমের বিরুদ্ধে ৩ হাজার ৯০৯ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। ২৭শে মার্চ ট্রাইব্যুনাল আলীমের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন। আনুষ্ঠানিক অভিযোগে আবদুল আলীমের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অভিযোগ ছিল ২৮টি। তবে ট্রাইব্যুনাল এর মধ্যে ১৭টি আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন করেন। ১৭টি অভিযোগের মধ্যে ১৫টিতে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন সময় ৫৮৫ জনকে হত্যার অভিযোগ ছিল। বাকি দু’টি অভিযোগ আনা হয়েছিল লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, বে আইনি আটক ও দেশান্তরে বাধ্য করার ঘটনায়। ২০১২ সালের ১৬ই এপ্রিল আলীমের মামলাসহ তিনটি মামলা ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে ট্রাইব্যুনাল-২ এ স্থানান্তর করা হয়। ১১ই জুন ৭ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৭টি অভিযোগে আলীমকে অভিযুক্ত করেন ট্রাইব্যুনাল-২। এসব অভিযোগ আনা হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন-১৯৭৩ এর ৩(২)(এ), ৩(২)(সি), ৩(২)(জি) এবং ৪ (১) ও ৪ (২) ধারা অনুসারে। আলীমের বিরুদ্ধে ১৫টি হত্যার ঘটনায় অন্তত তিনটি গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। যাতে ৪০৬ জনকে হত্যা করা হয়। এর মধ্যে দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, একাত্তরে ২৬শে এপ্রিল জয়পুরহাটের কড়াই কাঁিদপুর, চকপাড়া, সোনারপাড়া, পাল পাড়া, মুন্সীপাড়া গ্রামের ৩৭০ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে আলীমের প্রত্যক্ষ মদত ও নির্দেশে পশ্চিম পাকিস্তানি সেনারা ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে। নিহতদের বেশির ভাগই ছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী।

এছাড়া যুদ্ধাপরাধের ঘটনায় ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির’ জন্যও অভিযুক্ত হয়েছেন আলীম। তার বিরুদ্ধে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) এ জেড এম আলতাফুর রহমানসহ সাক্ষ্য দেন ৩৫ জন। এর মধ্যে ঘটনার সাক্ষী ছিলেন ২৫ জন। ৮ জন হলেন জব্দ তালিকার সাক্ষী। মামলা চলাকালীন দুলু তালুকদার ও আকামউদ্দিন সরকার নামে দু’জন সাক্ষী মৃত্যুবরণ করেন। তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেয়া এ দু’জনের জবানবন্দিকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল। ২০১২ সালের ৬ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ২২ আগস্ট পর্যন্ত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ ও জেরা করে উভয়পক্ষ। তবে ১৯তম সাক্ষী আবেদ হোসেনকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করেছে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। ২৭শে আগস্ট থেকে ৩রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আলীমের পক্ষে ৩ জন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এরা হলেন- মামুনুর রশিদ, মো. মোজাফফর হোসেন ও আবদুল আলীমের ছেলে সাজ্জাদ বিন আলীম। পরে তাদের জেরা করে প্রসিকিউশনের কৌঁসুলিরা। সাক্ষ্য ও সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু করে রাষ্ট্রপক্ষ। গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৫ কার্যদিবসে রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলার আইনি ও ঘটনার বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর ড. তুরিন আফরোজ ও রানা দাশগুপ্ত। এ সময় তারা অভিযুক্ত আবদুল আলীমকে একাত্তরে সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ‘কম্পাস’ হিসেবে অভিহিত করে। এছাড়া সংগঠিত অপরাধের সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি (ঊর্ধ্বতন দায়ভার) তার উপর বর্তায় বলে মন্তব্য করে তারা। পক্ষান্তরে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬ কার্যদিবসে আসামি পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন, এডভোকেট আহসানুল হক হেনা, এডভোকেট তাজুল ইসলাম, এডভোকেট আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান। এ সময় তারা উলেস্নখ করেন মুক্তিযুদ্ধকালীন আবদুল আলীম জড়িত ছিলেন না। বয়স ও অন্যান্য দিক বিবেচনা করে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দানের আবেদন করে। উভয় পক্ষের যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি (রিভাইটাল) শেষে ২২শে সেপ্টেম্বর বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলার রায় অপেক্ষাধীন ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ১৯৭৯, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপিদলীয় মনোনয়ন পেয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুল আলীম। জিয়াউর রহমানের সরকারের সময়ে প্রথমে বস্ত্রমন্ত্রী ও পরে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এছাড়া ১৯৭৫ ও ১৯৭৭ সালে জয়পুরহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আবদুল আলীম।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx