স্মার্ট ঘড়ির বাজারে Apple এর iWatch যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক॥ ইতোমধ্যে নানান প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্মার্ট ঘড়ি বাজারে নিয়ে এসেছে তবে শীর্ষ স্মার্ট ফোন নির্মাতা Apple এখনো তাদের স্মার্ট ঘড়ি বাজারে আনেনি। তবে খুব শীগ্রই বাজারে আনতে যাচ্ছে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত স্মার্ট ঘড়ি iWatch।


Apples-iWatch-concept-by-James-Ivaldi-2

ধারণা করা হচ্ছে Apple এর স্মার্ট ঘড়ি সকল স্মার্ট ঘড়ির ধারণাকে পেছনে ফেলে প্রযুক্তি প্রেমী মানুষের অত্যাবশ্যকীয় একটি প্রযুক্তি পণ্যে পরিণত হবে।

Apple এর বাজারে আনতে যাওয়া স্মার্ট ঘড়িতে যেসকল আনুমানিক সুবিধা থাকবে তা হচ্ছেঃ

  • ১.৫ ইঞ্চি মাল্টি টাচ ডিসপ্লে,যাতে থাকবে ৩২০ বাই ৩২০ রেজুলেশান।
  • অ্যাপেল এ৭ চিপ
  • এম৭ মোশন-কো-প্রসেসর
  • ১ গিগা বাইট র‍্যাম
  • ১.২ মেগাবাইট ফেসটাইম হাইডেফিনেশান ক্যামেরা।
  • ব্লুটুথ ওয়াইফাই।
  •  iOS 7
  • ৭ দিনের স্ট্যান্ড বাই টাইম সহ ব্যাটারি।
  • হলোগ্রাফিক প্রোজেকশন।

Final-revised-iwatch_thumb

এবার চলুন জেনেনিই Apple এর iWatch এর বিষয়ে আরও বিস্তারিতঃ

হলোগ্রাফিক প্রোজেকশনঃ বর্তমানে বাজারে থাকা স্মার্ট ঘড়ি সমূহ নানান কাজে আলোচনার ঝড় তুলেছে এসব ঘড়ি স্মার্ট ফোনের সাথে সংযুক্ত থাকে ফলে স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে এসব ঘড়িতে সরাসরি ইমেইল, ম্যাসেজ কিংবা ফোন কলের নোটিফিকেশান চলে আসে। তবে Apple এর ক্ষেত্রে স্মার্ট ঘড়ির কনসেপ্ট টা সম্পূর্ণ আলাদা স্মার্ট ঘড়ি’তে Apple হলোগ্রাফিক প্রোজেকশান সংযুক্ত করতে যাচ্ছে। এই হোলগ্রাফিক প্রোজেকশন দিয়ে ব্যবহারকারী সরাসরি প্রোজেক্টরের মাধ্যমেই নোটিফিকেশান চেক করতে পারবেন। ওয়েব ব্যবহার করতে পারবেন, মুভিও দেখে নিতে পারবেন।

FINAL-revised-holographic-projection_thumb

বাইরের ডিজাইন এবং ডিসপ্লেঃ iWatch এর ডিজাইনে থাকবে বিশেষ বিশিষ্ট। এটি ময়লা এবং পানি থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ কারণ এটি সম্পূর্ণ ওয়াটার প্রুফ হিসেবেই তৈরি হচ্ছে। এতে থাকছে ১.৫ আইপিএস ডিসপ্লে যা সম্পূর্ণ এলসিডি স্ক্রিন। এর ডিসপ্লে রেজুলেশান ৩২০ বাই ৩২০।

হার্ডওয়্যার এবং কানেক্টিভিটিঃ Apple এর iWatch এ যে হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হবে তা নিঃসন্দেহে আইফোন ৫ এস এবং আইপ্যাড এয়ারের। এতে থাকে এ৭ ৬৪ বিট কম্পিউটিং চিপ। ডুয়েল কোর ১.৬ গিগা হার্জ প্রসেসর এবং ১ গিবি র‍্যাম।

iWatch এ থাকা ১.২ মেগা বাইট ক্যামেরা দিয়ে খুব দ্রুত ছবি তোলা যাবে যা সম্পূর্ণ হাইডেফিনেশান।

এতে থাকছে ব্লুটুথ ৪.০ ভার্সনের যা খুব কম ব্যাটারির এনার্জি খরচ করবে। এবং ওয়াইফাই হিসেবে থাকছে 802.11 b/g/n/ac ফলে সার্বক্ষণিক ওয়াইফাই সংযুক্ত থাকা খুব সহজ বিষয়।

সফ্টওয়্যারঃ সফ্টওয়্যার হিসেবে অবশ্যই থাকছে iOS-7। iOS-7 এ পাওয়া যাবে সব ধরণের সফ্টওয়্যার যেমন হলোগ্রাফিক প্রোজেকশন এবং দ্রুত ছবি তোলার জন্য ফেসটাইম সফ্টওয়্যার সহ আরও অনেক কিছু।

সুতরাং নিঃসন্দেহে Apple এর iWatch একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে স্মার্ট ঘড়ির বাজারে বলেই ধারণা করা যায়।

সূত্রঃ ৯১মোবাইল

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...