The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাংলাদেশ পাওয়ার অ্যান্ড লাইটিং এক্সপো-২০২৬

ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ প্রযুক্তি প্রদর্শন এনার্জিপ্যাকের

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সদ্যসমাপ্ত বাংলাদেশ পাওয়ার অ্যান্ড লাইটিং এক্সপো (বিপিএলএক্স) ২০২৬-এ নিজেদের সর্বাধুনিক বিদ্যুৎ-প্রযুক্তি পণ্য প্রদর্শন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যুৎ প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।

বাংলাদেশ পাওয়ার অ্যান্ড লাইটিং এক্সপো-২০২৬ 1

ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে দেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেন সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা।

‘পাওয়ারিং দ্য ফিউচার অব বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সাজানো হয়েছিলো এনার্জিপ্যাকের প্যাভিলিয়ন। এ প্যাভিলিয়ন ঘুরে নির্ভরযোগ্য, দক্ষ ও আধুনিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন বাস্তবসম্মত সমাধান সম্পর্কে ধারণা পান শিল্পখাতের বিশেষজ্ঞ, ব্যবসা খাতের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ও নীতিনির্ধারকেরা।

প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ ছিল এনার্জিপ্যাকের নতুন প্রজন্মের ট্রান্সফরমার। এর মধ্যে ছিল পাওয়ার ট্রান্সফরমার, ডিস্ট্রিবিউশন ট্রান্সফরমার, কাস্ট রেজিন ট্রান্সফরমারসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত সমাধান। এসব উন্নত প্রযুক্তি ৩৩ কেভি থেকে ৪০০ কেভি পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় উচ্চ দক্ষতা, কম ক্ষয় এবং বাড়তি নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। ফলে দেশের বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়নে এগুলো সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

এর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সমাধান ও স্মার্ট প্রযুক্তিও তুলে ধরে এনার্জিপ্যাক। বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং পরিবেশ সুরক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে এসব প্রযুক্তি উন্নয়ন করা হয়েছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

প্যাভিলিয়নে এনার্জিপ্যাকের সমন্বিত বিদ্যুৎ প্রকৌশল সক্ষমতাও তুলে ধরা হয়। দর্শনার্থীরা সাবস্টেশন নির্মাণে টার্নকি সমাধান, সুইচগিয়ার, প্যানেল এবং বিভিন্ন ভোল্টেজ রেঞ্জে বাস্তবায়িত প্রকল্পভিত্তিক প্রকৌশল সেবা সম্পর্কে ধারণা নেন।

এ ছাড়া এনার্জিপ্যাকের প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগও পান দর্শনার্থীরা। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণসহ শিল্প ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনভিত্তিক সমাধান নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali