দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কর্মীদের বিক্রয় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কাজের মান উন্নত করার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি ‘সেলসভোল্ট ট্রান্সফরমেশন প্রোগ্রাম’ নামে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যুৎ প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এনার্জিপ্যাকের অফিস ‘এনার্জি পয়েন্টে’ এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন প্রখ্যাত পাওয়ার ট্রেইনার ও বিজনেস কোচ মো. ফকরুদ্দিন আসিফ। এনার্জিপ্যাকের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ মোট ৫০ জনেরও বেশি কর্মী এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
বিভিন্ন টিমের কাজের মান এবং বিক্রয় কৌশল উন্নত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে অন্যান্য বিভাগের আরও অনেক কর্মীকে এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে এনার্জিপ্যাকের।
এই সেশনগুলোতে মূলত প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্যগুলোর ওপর জোর দেওয়া হয়। কৌশলগত সমন্বয়, কাজের প্রতি উন্নত মানসিকতা এবং সঠিকভাবে কাজের ফলাফল যাচাই করার (কেপিআই) মত বিষয়গুলো এখানে গুরুত্ব পায়। প্রশিক্ষণে আরও শেখানো হয় কীভাবে বাজারের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয় এবং গ্রাহকের আস্থা অর্জন করা যায়। এছাড়া, কর্মীদের মানসিক শক্তি ও আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে ‘নিউরো-লিঙ্গুইস্টিক প্রোগ্রামিং’ (এনএলপি) কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা বর্তমান বাজারের বিভিন্ন সমস্যা এবং তা সমাধানের নতুন কৌশল নিয়েও কাজ করেন। প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের/ ব্যবসায়িক ইউনিটের মধ্যে কৌশলগত সমন্বয় বাড়ানো এবং ব্যবসার নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়গুলোও আলোচনা করা হয়।
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org