The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

২০২৬-এর শুরুতেই ৫৬,৪৭৮ বীমা দাবি পরিশোধ করলো গার্ডিয়ান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ) মোট ৫৬ হাজার ৪৭৮টি বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

২০২৬-এর শুরুতেই ৫৬,৪৭৮ বীমা দাবি পরিশোধ করলো গার্ডিয়ান 1

এ সময় পরিশোধ করা দাবির আর্থিক পরিমাণ ১৫০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। দেশের জীবন বীমা খাতে ধারাবাহিকভাবে দ্রুত দাবি পরিশোধের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য মানদণ্ড।

গার্ডিয়ানের পরিশোধ করা অর্থের মধ্যে রয়েছে গ্রাহকদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধা, মৃত্যুজনিত দাবি এবং চিকিৎসা ব্যয়সংক্রান্ত দাবি। মোট পরিশোধ করা দাবির মধ্যে মৃত্যু দাবিতে ৮৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে সর্বমোট ১১ হাজার ৪১৮টি দাবির বিপরীতে। সংকটময় মুহূর্তে এসব অর্থ পরিবারগুলোকে দিয়েছে স্বস্তি। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা দাবিতে ৫৮ কোটি ২১ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে ৪৩ হাজার ৩২৪টি দাবির ক্ষেত্রে। এতে গ্রাহকদের চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ কমেছে। এ ছাড়া অন্যান্য ১ হাজার ৭৩৬টি দাবির বিপরীতে ৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এতে গ্রাহকদের বিভিন্ন আর্থিক প্রয়োজন পূরণে সহায়তা মিলেছে।

দ্রুত দাবি পরিশোধ গার্ডিয়ানের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও কার্যকর করেছে। যার ফলে বিভিন্ন ধরনের দাবির ক্ষেত্রে সময়মতো অর্থ পরিশোধ নিশ্চিত করা যাচ্ছে।

এর আগে ২০২৫ সালে মোট ৫৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার দাবি পরিশোধ করেছে গার্ডিয়ান। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের এই অর্জন সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।

এ বিষয়ে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ বলেন, “প্রতিটি বীমা দাবি এমন পরিস্থিতির সাথে সম্পর্কিত যেখানে গ্রাহকের জরুরি ভিত্তিতে সহায়তা দরকার। কাজেই আমরা এমন একটি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করেছি, যা দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতামুক্ত।”

ব্যাংকাস্যুরেন্স, মাইক্রোইন্স্যুরেন্স এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজেদের সেবার পরিসর ধারাবাহিকভাবে আরও বিস্তৃত করছে গার্ডিয়ান। এর মাধ্যমে আরও বেশি মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহজপ্রাপ্য ও আধুনিক ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বর্তমানে গার্ডিয়ান ৫০০-র বেশি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে। পাশাপাশি ৪৫০টির বেশি অংশীদার হাসপাতালের একটি নেটওয়ার্ক রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষার আওতায় এসেছে। এই নেটওয়ার্ক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবার ফলে দ্রুত বীমা দাবি পরিশোধ এবং গ্রাহকদের জন্য স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

এ ছাড়াও গ্রাহকদের সহায়তায় ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে গার্ডিয়ানের হেল্পলাইন (১৬৬২২) । এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা যে কোনো সময় প্রয়োজনীয় যেকোন তথ্য ও সহায়তা পাচ্ছেন।

খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

Loading...
bn_BDBengali