The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় বিএসআইএ রোডশো-তে বাংলাদেশ-কোরিয়া সেমিকন্ডাক্টর সহযোগিতা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ১২ মে ২০২৬ বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ) দক্ষিণ কোরিয়ায় তাদের চলমান গ্লোবাল সেমিকন্ডাক্টর রোডশোর অংশ হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় বিএসআইএ রোডশো-তে বাংলাদেশ-কোরিয়া সেমিকন্ডাক্টর সহযোগিতা 1

এই উদ্যোগ বাংলাদেশের উদীয়মান সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেমকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্ট এবং অ্যাডভান্সড প্যাকেজিংকে কেন্দ্র করে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

দিনের শুরুতে এস কে হাইনিক্স (SK hynix)-এর অ্যাডভান্স টিমের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রোডশোর লজিস্টিক, ভবিষ্যৎ সহযোগিতা, সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিং, কর্মী উন্নয়ন এবং ইকোসিস্টেম গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

পরবর্তীতে বিএসআইএ-এর সদস্য প্রতিষ্ঠান ডাইন্যামিক সলিউশন্স ইনোভেটরস (ডিএসআই), প্রাইম সিলিকন টেকনোলজি লি:, সিলিকোনোভা লিমিটেড, উলকাসেমি প্রাইভেট লিমিটেড এবং নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর লিমিটেড-এর প্রতিনিধিরা কোরিয়ান সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন হাউস সুপারগেইট (SuperGate)-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।

আলোচনায় সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, ভেরিফিকেশন, এমবেডেড সিস্টেম, এআই- কেন্দ্রিক চিপ ডিজাইন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সাপোর্টে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয় উঠে আসে।

এ ছাড়াও বিএসআইএ প্রতিনিধিদল কোরিয়ো সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (কেএসআইএ)-এর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করে।

সেখানে তিনটি কৌশলগত বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পায়:

# বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর স্থিতিশীলতা, ট্যালেন্ট মোবিলিটি এবং দীর্ঘমেয়াদি ইকোসিস্টেম সহযোগিতার লক্ষ্যে সম্ভাব্য “১৫-দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর অ্যালায়েন্স” গঠনের আলোচনা।

# যৌথ প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং একাডেমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সেমিকন্ডাক্টর জনশক্তি উন্নয়ন।

# বাংলাদেশ ও কোরিয়ার সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে যৌথভাবে বৈশ্বিকভাবে উপস্থাপন এবং সহযোগিতা সম্প্রসারণে কেএসআইএ ও বিএসআইএ-এর দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব।

কেএসআইএ নেতৃত্ব বাংলাদেশের উদীয়মান সেমিকন্ডাক্টর ভিশনের প্রশংসা করে এবং বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান, তরুণ জনশক্তি, ক্রমবর্ধমান ইঞ্জিনিয়ারিং সক্ষমতা এবং সুসংগঠিত ইকোসিস্টেম গঠনের উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করে। আলোচনায় উঠে আসে যে, সঠিক নীতিগত সমন্বয়, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ধৈর্যশীল সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ১২তম সেমিকন্ডাক্টর
হাবে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।

দিনের কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে বিএসআইএ এবং সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ আয়োজনে একটি ব্যাঙ্কুয়েট রিসেপশনের মাধ্যমে। এতে কোরিয়া ও বাংলাদেশের শিল্পনেতা, নীতিনির্ধারক, গবেষক, একাডেমিক প্রতিনিধি এবং কর্পোরেট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কেএসআইএ-এর প্রতিনিধি, বিএসআইএ সভাপতি জনাব এম এ জব্বার এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মান্যবর তৌফিক ইসলাম শাতিল।

পারডু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মোস্তফা হোসেন “Vision of Bangladesh for Semiconductor Packaging” শীর্ষক উপস্থাপনায় অ্যাডভান্সড প্যাকেজিং, হেটারোজেনিয়াস ইন্টিগ্রেশন, AI-নির্ভর অবকাঠামো এবং ভ্যালু ক্রিয়েশনভিত্তিক সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেমের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali