দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মানুষের চাঁদে বসবাসের পরিকল্পনা এখন আর শুধু কল্পকাহিনি নয়। বিজ্ঞানীরা বর্তমানে চাঁদে খাদ্য উৎপাদনের প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছেন। তাদের লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে চাঁদে ছোট কৃষিখামার তৈরি করা।

গবেষকরা বলছেন, মহাকাশচারীদের দীর্ঘ সময় চাঁদে থাকতে হলে সেখানে খাবার উৎপাদনের ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে। তাই বিশেষ ধরনের উদ্ভিদ চাষের পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।
চাঁদের মাটির মতো কৃত্রিম উপাদান তৈরি করে তাতে গাছ লাগানো হয়েছে। কিছু পরীক্ষায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে গাছের বৃদ্ধি সম্ভব।
সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো পানি ও অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা। বিজ্ঞানীরা পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানি প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে চাষাবাদের পরিকল্পনা করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি চাঁদে কৃষিকাজ সফল হয়, তাহলে ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহেও মানব বসতি গড়ার পথ সহজ হবে।
তবে এই প্রকল্প অত্যন্ত ব্যয়বহুল। পাশাপাশি মহাকাশের বিকিরণ থেকে গাছ রক্ষা করাও কঠিন কাজ। তবুও গবেষকরা আশাবাদী।
বিশ্বের বিভিন্ন মহাকাশ সংস্থা এখন এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। কারণ ভবিষ্যতের মহাকাশ অভিযানে খাদ্য উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
একসময় মানুষ শুধু পৃথিবীতেই কৃষিকাজ করত। এখন বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর বাইরে কৃষিখামার তৈরির স্বপ্ন দেখছেন।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
You’re so awesome! I don’t believe I have read a single thing like that before. So great to find someone with some original thoughts on this topic. Really.. thank you for starting this up. This website is something that is needed on the internet, someone with a little originality!