The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সিরাজগঞ্জের ঐতিহাসিক লাল মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ খৃস্টাব্দ, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

সিরাজগঞ্জের ঐতিহাসিক লাল মসজিদ 1

যে মসজিদটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটি সিরাজগঞ্জের ঐতিহাসিক মসজিদ লাল মসজিদ। সিরাজগঞ্জ শহরের হোসেনপুর মহল্লায় হোসেনপুর লাল মসজিদ অবস্থিত।

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ইতিহাসে গড়া ১৪৮ বছরের এই মসজিদটি যেনো এই এলাকার মুসল্লিদের ভালোবাসার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

১৮৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে রেখেছে হাজারও স্মৃতি। বিভিন্ন বাধা-বিপত্তি, ত্যাগ, দ্বন্দ্ব এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর নির্মাণ হওয়া মসজিদটির রক্তের লাল অনুযায়ী নামকরণ করা হয়েছিলো হোসেনপুর লাল মসজিদ। যে কারণে পুরো মসজিদটিই নির্মাণ করা হয়েছে রক্তের রঙে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড়শো বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় তারও প্রায় ২০ বছর পূর্বে। তবে নানা বাধা-বিপত্তিতে মসজিদ নির্মাণে দেরি হয়েছিলো। এটিই জেলার প্রথম পাকা মসজিদ। ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটিতে নামাজ পড়েছেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীসহ ঐতিহাসিক অনেক ব্যক্তি।

এই মসজিদটিতে এখনও শুক্রবারে জুমার নামাজ এবং ঈদের নামাজে ৭০০ থেকে হাজারের অধিক মুসল্লি অংশ গ্রহণ করেন। যার জামাতের সারি তিনতলা মসজিদ ছেড়ে চলে আসে মসজিদের মাঠ প্রাঙ্গণ পর্যন্ত। তথ্যসূত্র: https://www.dhakapost.com/

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali