দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান যুদ্ধের মধ্যেই গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত ‘নৃশংস অপরাধের’ প্রমাণাদী আড়াল করার চেষ্টার জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করেছে হামাস।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনি সংগঠনটি এই অভিযোগ তুলেছে।
বিবৃতিতে বলা হয় যে, হাজার হাজার নিখোঁজ মানুষের মরদেহ ও গণহত্যাজনিত অপরাধের বস্তুগত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল ‘ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, চূর্ণবিচূর্ণ এবং স্থানান্তরিত করার’ মাধ্যমে ‘প্রমাণ মুছে ফেলার’ চেষ্টাও চালাচ্ছে।
হামাস উল্লেখ করেছে যে, এইসব স্থান ও সেখানকার মরদেহ এবং আলামত নিয়ে হস্তক্ষেপ করা আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) আদেশের সরাসরি লঙ্ঘন। আইসিজে গণহত্যা সংক্রান্ত মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশও দিয়েছিল। একইসঙ্গে এটি শহীদদের মর্যাদা ও পরিবারগুলোর লাশ উদ্ধার করে দাফন করার অধিকারের ওপরেও আঘাত।
ঘটনাস্থলগুলো সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নিতে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক আদালত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হামাস। একইসঙ্গে মরদেহ উদ্ধার ও আলামত নথিভুক্ত এবং সংরক্ষণের সুবিধার্থে আন্তর্জাতিক তদন্ত দল এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের নিয়োগের জোর দাবিও জানিয়েছে তারা।
বিবৃতিতে আরও জোর দিয়ে বলা হয় যে, দ্রুত ধ্বংসস্তূপ অপসারণ ও গাজার পুনর্নির্মাণ একটি অত্যন্ত জরুরি মানবিক এবং জাতীয় প্রয়োজন ও এটি ফিলিস্তিনি জনগণের একটি অলঙ্ঘনীয় অধিকার। তথ্যসূত্র : মিডল ইস্ট আই।
>>>>>>>>>>>>>>
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
This post was last modified on সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 10:06 am
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ স্কটল্যান্ডের একটি দুর্গের কাছে পাওয়া মধ্যযুগীয় একটি কঙ্কাল প্রত্নতাত্ত্বিক ও…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খৃস্টাব্দ, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ হাইহিল জুতা অনেক নারীর পোশাক এবং ব্যক্তিত্বের অংশ। বিশেষ অনুষ্ঠান,…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা এআইয়ের ব্যবহার এতোদিন মূলত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া,…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কাঁচা মরিচ বাঙালির খাবারের অন্যতম পরিচিত উপকরণ। ডাল, ভর্তা, তরকারি,…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এবার কলকাতার ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অ্যাওয়ার্ড পেলো চ্যানেল আইয়ের তথ্যচিত্র ‘পায়ের…