মহাকাশের আরেক বিস্ময় নেবুলা

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ মহাকাশ নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণার যেনো শেষ নেই- শেষও হবে না। মহাকাশের আরেক বিস্ময়- আর তা হলো নেবুলা। এই নেবুলা নিয়ে গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, রাতের আকাশে এসব নেবুলা বা নীহারিকা দেখা যায়!

এ বিশাল মহাকাশ সবাইকেই কম বেশি আকর্ষন করে। সবাই চায় ঐ আকাশকে একটু ছুঁয়ে দিতে। তবে আকাশ বলতে কোন কিছুর অস্তিত্ব না থাকার জন্যই ছোঁয়া যায় না। আর মানুষের একটা বৈশিষ্ট হচ্ছে যেটাকে পাওয়া যাবে না সেটার পিছনেই ছোটা। তাই তো আকাশ নিয়ে, এ মহাকাশ নিয়ে মানুষের অনেক জল্পনা-কল্পনা। সবাই কোন না কোন সময় এ আকাশের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে অন্য আরেক জগতে হারিয়ে যায়। আর মহাকাশের অনেক গুলো বিস্ময়ের মধ্যে এক বিস্ময় হচ্ছে নেবুলা।

নেবুলা (nebula ) বাংলায় নীহারীকা। মহাকাশের ধুলিকণা একত্রে মিলিত হয়ে নেবুলা বা নীহারীকার সৃষ্টি হয়। গ্যাস বা ধূলিকণা একত্রে মেঘের মত দেখতে হয়এ নেবুলা যা রাতের আকাশে দেখা যায়। গ্যাস গুলোর মধ্যে রয়েছে ইন্টারস্টেলার ক্লাউড বা মেগ, হাইড্রোজেন গ্যাস, হিলিয়াম গ্যাস এবং অন্যান্য আয়নিক গ্যাস গুলো। আরো রয়েছে প্লাজমা। বেশির ভাগ গ্যাসই প্লাজমা অবস্থায় রয়েছে নীহারিকার মধ্যে। প্লাজমা অবস্থায় থাকার কারন হচ্ছে উচ্চ তাপ। এ উচ্চ তাপে সকল গ্যাসই প্লাজমা অবস্থায় চলে যায়।

উপরে নামে একটা শব্দ ইন্টারস্টেলার ক্লাউড বলছি, আমাদের গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ ও অন্যান্য ছায়াপথের মধ্যে বিদ্যমান গ্যাস, ধূলিকনা, প্লাজমা গুলোর একত্রে সংগৃহীত রূপকে ইন্টারস্টেলার ক্লাউড বলে। আসলে নীহারিকা হচ্ছে ছায়াপথ সহ সকল মহাজাগতীক বস্তুর সাধারন নাম যা মিল্কি ওয়ের ( আকাশ গঙ্গা) বাহিরে অবস্থিত। উদাহরন হিসেবে দেওয়া যায় যে, এডুইন হাবল কতৃক গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ আবিস্কারের পূর্ব পর্যন্ত বর্তমানে উল্লেখিত এনড্রোমিডা ছায়াপথের পূর্ব নাম ছিল এনড্রোমিডা নীহারিকা।

Advertisements
Loading...