The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

বিশ্বকাপ রমজানে মুসলিম খেলোয়াড়দের উপর চ্যালেঞ্জ

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ পবিত্র মাহে রমজানে রোজা রেখে কেমন খেলবেন বিশ্বকাপে খেলার মাঠ মাতিয়ে রাখা মুসলিম খেলোয়াড়রা। রমজানের মধ্যে বিশ্বকাপে খেলোয়াড়দের ওপর কেমন প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।


Mesut Ozil Is a Muslim (2)_Fotor

বিশ্বকাপ চলাকালে মুসলিম খেলোয়াড়দের রোজা রাখাটা হবে চ্যালেঞ্জ। অনেকে আবার তা মানতে নারাজ। তারা বলছেন এতে কোন প্রভাব পড়বে না। বরং উল্টোটি হতে পারে। রমজান মাসে সিয়াম সাধনা ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি। টানা এক মাস মুসলিমরা সুবেহ সাদিক থেকে মাগরিব পর্যন্ত যে কোন প্রকার পানাহার থেকে বিরত থাকেন। ব্রাজিলে পবিত্র এ মাস শুরু হচ্ছে শনিবার দিবাগত রাতে। সাধারাণত রিও’র মসজিদে তেমন একটা লোকসমাগম থাকে না। কিন্তু বিশ্বকাপের আগমনে মুসলিম দলগুলোর সঙ্গে ব্রাজিলে পাড়ি দিয়েছে হাজারো মুসলিম সমর্থক। বসনিয়া, ইরান, নাইজেরিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে হাজারো মুসলিম এসেছে ব্রাজিলে। এসব দেশের খেলোয়াড়রাও মুসলিম।

বিশ্বকাপের অনেক মুসলিম দেশ ইতোমধ্যে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়েছে, তবে কিছু দেশ এবং কয়েকজন মুসলিম খেলোয়াড় বিভিন্ন দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলছেন এখনো। ফ্রান্সের বেনজেমা আর জার্মানির মেসুত ওজিলসহ বিশ্বকাপের অন্য মুসলিম খেলোয়াড়দের সামনে এখন খেলার পাশাপাশি রোজার চ্যালেঞ্জ। ব্রাজিলের উচ্চ তাপমাত্রা আর বাতাসের আর্দ্রতা কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলবে। ইতিমধ্যে নকআউট পর্বের টিকিট পাওয়া আলজেরিয়া দলের বেশিরভাগই মুসলিম।

এদিকে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফিফা রোজার প্রভাব নিয়ে একাধিক পর্যালোচনা চালিয়েছে। ফিফার নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মেডিকেল কমিটির চেয়ারম্যান ড. মিশেল ডি’হুঘ জানান, তারা আলজেরিয়া ফুটবল ফেডারেশনের ডাক্তারের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি গবেষণা চালান। এবং এর ফলাফল ছিল খুবই ইতিবাচক। তিনি বলেন, আপনি যদি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে রোজা রাখতে পারেন তাহলে খুব সহজে মানিয়ে নিতে পারবেন। সেহ্‌রির সময় শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত পর্যাপ্ত পান করলে তা সারা দিন পার করতে সাহায্য করে। শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে না।

ইতোমধ্যে ফ্রান্স এবং জার্মানির কোচ এবং খেলোয়াড়দের মাঝে কিছু বিবাদ দেখা দিয়েছে রোজা রাখা না রাখা নিয়ে, কোচ অবশ্য চাইছেন সব খেলোয়াড় ১০০% শক্তি নিয়ে মাঠে নামুক তবে মুসলিম খেলোয়াড়রা রোজা রাখতেই আগ্রহী। সুইজ্যারল্যান্ড দলের কোচ বলছেন, ‘এটা খুবই সংবেদনশীল একটি বিষয়। আমার কোন কিছু বলার নেই। আমরা প্রত্যেকের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রোজা পালন করার অভ্যাস খেলোয়াড়দের রয়েছে কাজেই আমি সেটা নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত নই। সবাই এর সঙ্গে মানিয়ে নেবে।’

এখন দেখার বিষয়, রোজা রেখে কেমন খেলে বিশ্বকাপের মুসলিম খেলোয়াড়রা, কিংবা কেমন প্রভাব পড়ে তাদের খেলায়!

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx