The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

পাবনায় চালুর অপেক্ষায় ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ পাবনার বেড়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে এ কেন্দ্রটিতে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। প্রতিদিন এখান থেকে প্রায় ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়ে জাতীয় গ্রিডলাইনে যুক্ত হচ্ছে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উদ্বোধন করবেন। এটি চালু হলে ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডলাইনে যুক্ত হবে।
Pabna Electric
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ৫ আগস্ট পাবনা জেলার বেড়া পৌর এলাকার বৃশালিখা মহল্লার বেড়া পাম্পিং স্টেশনের পাশে ‘বেড়া ৭০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্ট’ নামে ৭০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন এ কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তত্ত্বাবধানে দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্দাই হ্যাভি ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করে। চুক্তি অনুযায়ী ৪৫০ দিনের মধ্যে এ কেন্দ্রটির নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা। এটি ফার্নেস অয়েলে পিক আওয়ারে (সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা) বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

সরেজমিন ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় বর্তমানে এতে পরীক্ষামূলক উৎপাদন করা হচ্ছে। এ কেন্দ্রে ৮ দশমিক ৩৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন (প্রতিটি) ৯টি যন্ত্র রয়েছে। বতর্মানে যন্ত্রগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ধীরে ধীরে বাড়িয়ে শতভাগে উন্নীত করে পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত বছরের ৮ অক্টোবর থেকে যন্ত্রগুলোকে পূর্ণ ক্ষমতায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়। এর পাশাপাশি কেন্দ্রটির আনুষঙ্গিক অন্যান্য দিকও পরীক্ষা করে দেখা হয়।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণ কাজের তদারকিতে থাকা পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী প্রিয়তোষ চৌধুরী বলেন, নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগেই এ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এখন পরীক্ষামূলকভাবে এতে উৎপাদন করা হচ্ছে। বলা যেতে পারে এ কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনের পরই এটি আমাদের কাছে হস্তান্তর হবে বলে আশা করছি।

এদিকে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে ঘিরে পাবনার বেড়া, সাঁথিয়া, সুজানগর ও পাবনা সদর উপজেলার মানুষ লোডশেডিং থেকে মুক্ত হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। কারণ এটি চালু হলে স্থানীয় চাহিদা পূরণের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করছেন। সে ক্ষেত্রে বেড়া, সাঁথিয়া, সুজানগর ও পাবনা সদর উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বেড়ে যাবে এবং এতে চার উপজেলা লোডশেডিং থেকে অনেকটাই মুক্তি পাবে।

পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর বেড়া কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার কিছু অংশসহ বেড়া, সাঁথিয়া ও সুজানগর উপজেলা নিয়ে পাবনা পলস্নী বিদ্যুৎ সমিতি-২ গঠিত। পিক আওয়ারে (সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা) সমিতির আওতাভুক্ত এলাকায় ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হলেও পাওয়া যায় সর্বোচ্চ ১৭ মেগাওয়াট। প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়া যাওয়ায় চার উপজেলায় লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে।

পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর উপ-মহাব্যবস্থাপক হরেন্দ্রনাথ বর্মণ বলেন, বেশির ভাগ এলাকার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো স্থানীয় চাহিদা পূরণে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এ জন্য আমরা পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতাভুক্ত এলাকা বেড়া, সাঁথিয়া, সুজানগর ও পাবনা সদর উপজেলায় প্রায় ৫ মেগাওয়াট বেশি বিদ্যুৎ পাওয়ার আশা করছি। সব মিলিয়ে কেন্দ্রটি চালু হলে এ এলাকায় লোডশেডিং অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। (তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল)।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx