ঝালকাঠির ঐতিহাসিক গালুয়া পাঁকা মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। আজ শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৫ খৃস্টাব্দ, ১১ বৈশাখ ১৪২২ বঙ্গাব্দ, ৪ রজব ১৪৩৬ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

historic mosque galuya facilities

যে ছবিটি দেখছেন এটি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেরার বিখ্যাত ঐতিহাসিক গালুয়া পাঁকা মসজিদ। ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার বিখ্যাত এই মসজিদটি ভান্ডারিয়া -রাজাপুর মহাসড়কের গালুয়া বাজার হতে এক কিলোমিটার পূর্বদিকে দুর্গাপুর গ্রামে অবন্থিত।

সরেজমিনে গিয়ে যে তথ্য পাওয়া গেছে তা হল, মাহমুদ জান আকন (মামুজী) নামক এক ধর্মপ্রাণ মুসলমান বাংলা ১১২২ সালে এটি নির্মাণ করেন। মসজিদের কাছে পরিত্যক্ত একখন্ড শিলালিপি হতে এর নির্মাণ সাল উদ্ধার করা হয়। মাত্র ৭৫/৮০ বছর পূর্বেও এই মসজিদটি ঘন জঙ্গলে আবৃত ছিল। সে সময়ের পীর সাহেব জনাব মাহতাবউদ্দিনের সহযোগিতা, আন্তরিকতা এবং নেতৃত্বে এটি সংঙ্কার করা হয়। কথিত রয়েছে যখন মসজিদটির সংলগ্ল ঝোপ ঘন জঙ্গল সাফ করা হয় তখন বড় বড় বিষধর সাপ এখান থেকে বেরিয়ে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে হুজুর নির্দেশ দিলেন যে, মসজিদটির চারদিকের একদিক খোলা রাখতে। দেখা গেলো সাপগুলো খোলা দিক হতে বেরিয়ে গেলো এবং এরপর মসজিদটিকে নামাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা হলো।

এই মসজিদটি অতি প্রাচীন হওয়ায় আস্তে আস্তে ভেঙ্গে পড়ছিল। তখন প্রতিবেশী জনৈক সমাজসেবী ধর্মপ্রাণ আলহাজ্জ আব্দুল কুদ্দুস খানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এটি ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ অধিগ্রহণ করে। অতঃপর ২০০৬ সালে উক্ত বিভাগের নিজস্ব কারিগর দ্বারা পূর্বে অবিকল নকশায় পুনঃ নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এখানে জামাতের সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা হয়ে থাকে। তাই এটি দেশের একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনও বটে।

ছবি ও তথ্য: goldenbangladesh.com এর সৌজন্যে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...