শবে বরাত ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। আজ মঙ্গলবার, ২ জুন ২০১৫ খৃস্টাব্দ, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২২ বঙ্গাব্দ, ১৪ শাবান ১৪৩৬ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

Baitul Mukarram

ছবিটি দেখে নিশ্চয়ই কারও চিনতে বাকি নেই যে এটি আমাদের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ছবি। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই মসজিদটির গুরুত্বও এক অপরিসীম। যেহেতু আজ পবিত্র শবে বরাত। সেহেতু ইবাদত বন্দেগির মাধ্যমে রাত্রি যাপন আমাদের ধর্মীয় করণীয়।

‘বায়তুল মুকাররম মসজিদ সোসাইটি’ গঠনের মাধ্যমে ১৯৫৯ সালে মসজিদ তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পুরান ঢাকা এবং নতুন ঢাকার মিলনস্থলে মূলত এই মসজিদটির জন্য জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়। স্থানটি নগরীর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র (মতিঝিল) থেকেও ছিল একেবারে নিকটবর্তী।

বিশিষ্ট স্থপতি টি. আব্দুল হুসেন থারিয়ানিকে এই মসজিদ কমপ্লেক্সটির নকশার জন্য নিযুক্ত করা হয়। পুরো কমপ্লেক্স নকশার মধ্যে দোকান, অফিস, লাইব্রেরি এবং গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও এরসঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পরবর্তী সময়ে ১৯৬০ সালের ২৭ জানুয়ারি এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। অবশ্য কয়েক বছর আগে এই মসজিদটির ডিজাইনের কিছু পরিবর্তন করে নতুন সাজে সাজানো হয়। এই মসজিদে একসঙ্গে ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের প্রধান কক্ষটি তিন দিকে বারান্দা দিয়ে ঘেরা। মিহরাবটি অর্ধ-বৃত্তাকারের বদলে আয়তাকার। আধুনিক স্থাপত্যে কম অলংকরণই একটি বৈশিষ্ট্য-যা এই মসজিদটিতে লক্ষণীয়। এর অবয়ব অনেকটা পবিত্র কাবা শরীফের মতো হওয়ায় মুসলমানদের হৃদয়ে এই মসজিদটি আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। এটি আমাদের জাতীয় মসজিদ।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...