জমজের সবকিছুতেই অসম্ভব মিল এমন এক কাহিনী!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ জমজের সবকিছুতেই অসম্ভব মিল এমন এক কাহিনী রয়েছে আপনাদের জন্য। দুই যমজ বোন বিয়াঙ্কা আর বিয়াত্রিজ একইদিনে মা হওয়াসহ আর বেশ কিছু বিস্ময়কর কাহিনী উঠে এসেছে।

everything possible match to a story

দুই ‍জমজের এমন কিছু মিল দেখে চিকিৎসকরাও বিস্মিত হয়েছেন। এমনটা তো হওয়ার কথাই ছিল না। চিকিৎসকরা বলেছিলেন এক। আর বাস্তবে হলো এক।

গত বছরের ৭ ডিসেম্বরের কথা। কন্যাসন্তানের জন্ম দেন বিয়াঙ্কা। একই দিনে ছেলে হয় বিয়াত্রিজের। এমনটা অবশ্য হওয়ারই কথা নয়। চিকিৎসকরা আগে থেকেই সময় বেঁধে দিয়েছিলেন দু’জনের। বিয়াঙ্কা ও বিয়াত্রিজেও জানতেন একই মাসে তাদের সন্তানরা পৃথিবীর আলো দেখবে। তবে যা ভাবা হয়, কখনও কখনও তা হয় না। একইদিনে দুই বোন মা হলেন। বিয়াঙ্কার মেয়ের নাম রাখা হলো সোফিয়া। বিয়াত্রিজের ছেলের নাম ভিক্টর হুগো। দু’জনেই সন্তানলাভ করে খুবই খুশি। আবার একই সঙ্গে বিস্মিতও হয়েছেন তারা। কীভাবে কয়েক ঘণ্টার এপিঠ-ওপিঠে তারা মা হয়ে গেলেন! সেটিই তারা বুঝে উঠতে পারছেন না।

৪ বছর আগে জীবনসঙ্গী খুঁজে পান দুই বোন। দু’জনের প্রেমিকরাও আবার দুই ভাই। ভালই চলছিল তাদের দিনগুলো। প্রেমও ক্রমে ক্রমে গাঢ় হতে গাঢ়তর হয়। বিয়াঙ্কা ও বিয়াত্রিজের জঠরে প্রাণের সঞ্চার হলো একদিন। স্মৃতিরোমন্থন করে বিয়াত্রিজে বলছেন, ‘গত বছরের মে মাসে আমি সন্তানসম্ভবা হই। তার ৪ মাস আগেই বিয়াঙ্কা প্রেগনেন্ট হয়েছিল,’

কিন্তু আল্ট্রা সনো পরীক্ষা তুলে ধরে অন্য ছবি। পরীক্ষায় বেরিয়ে আসে দু’বোনের প্রেগন্যান্সির মধ্যে ব্যবধান ছিল মাত্র এক সপ্তাহের! ডিসেম্বরের ৭ তারিখ রাত ১.৩৪ মিনিটে সোফিয়া ভূমিষ্ঠ হয়। অপরদিকে রাত ১১.০৮ মিনিটে বিয়াত্রিজের ঘরে আসে ভিক্টর হুগো।

অবাক বিস্ময়ে বিয়াত্রিজে বলেছেন, ‘একই দিনে আমাদের যে সন্তান হবে, সেই কথা আমরা দু’বোন কখনও জানতামই না। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে চিকিৎসকরা আমাকে ডেট দিয়েছিলেন।’

অপরদিকে বিয়াঙ্কা বলছেন, ‘জানতাম একই মাসে আমরা মা হবো। বিষয়টি নিয়ে দু’জনই বেশ খুশি ছিলাম। একই দিনে যে দু’জনের সন্তান হবে, সেটা কখনও কল্পনা করিনি।’ মানুষের জীবনে কি এতো মিল হওয়া সম্ভব!

Advertisements
Loading...