জার্মান মিউনিখ ট্রাজেডি: ‘হামলার পরিকল্পনা করা হয় এক বছর ধরে’

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ জার্মানির কর্তৃপক্ষ বলেছে, মিউনিখে হামলার জন্য তরুণ বন্দুকধারী এক বছর ধরে পরিকল্পনা করেছিল। গত শুক্রবারের এই হামলায় নিহত হয় ৯ জন।

German Munich Tragedy

সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, হামলাকারী ডেভিড আলী সনবলির কাছে একটি গ্লক পিস্তল ও ৩০০ বুলেট ছিল। হামলার পর তিনি আত্মহত্যা করেন।

বাভারিয়ার সরকারি কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘ডার্ক নেট’ ব্যবহার করে অবৈধ পিস্তল কেনেন সনবলি। এই পিস্তলই তিনি হামলায় ব্যবহার করেন।

মিউনিখ শহরে অলিম্পিয়া শপিংসেন্টারে শুক্রবারের ওই হামলায় হতাহতদের উদ্দেশে শোক জ্ঞাপন অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোয় চলছে মাতম।

নিহত ৯ জনের মধ্যে ৭ জনই শিশু। এদের মধ্যে দু’জন তুর্কি, দু’জন জার্মান, একজন হাঙ্গেরীয়, একজন গ্রিক ও একজন কসোভান। এই হামলায় আহত হয়েছে আরও ৩৫ জন। তবে এদের মধ্যে ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়।

বাভারিয়া পুলিশের ক্রাইম বিভাগের প্রধান বরার্ট হেইমবারগার বলেছেন, গত বছর উননেনডেন শহরে যান সনবলি। সেখানে তিনি ২০০৯ সালে স্কুলে হামলার স্থান পরিদর্শন করেন ও কিছু ছবি তোলেন।

হেইমবারগার আরও জানিয়েছেন, এই ঘটনায় সনবলির বাবা-মা খুবই মর্মাহত হয়েছেন। বর্তমানে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই তারা। সনবলি ‘ফার্স্ট পারসন শুটার’ গেম খেলতে পছন্দ করতেন।

নরওয়ের গণহত্যার আসামি আন্দ্রেস বেরিং ব্রেইভিকের সঙ্গে সনবলির মানসিকতার যোগসূত্রের যে সন্দেহ করা হচ্ছিল, তবে অনুসন্ধানে তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ব্রেইভিকের কোনো লিখিত তথ্য সনবলির কক্ষে মেলেনি। ৫ বছর আগে নরওয়েতে হামলা চালিয়ে ৭৭ জনকে হত্যা করেন ব্রেইভিক।

উল্লেখ্য, অলিম্পিয়া শপিং সেন্টারে হামলার পর জার্মান রাজনীতিবিদরা অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ের ওপর কড়াকড়ি আরোপের কথা ভাবছেন।

Advertisements
Loading...