The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

সাভার ট্র্যাজেডি ॥ রানার মা এখনও বেঁচে আছেন

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ সাভারের রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার মা মর্জিনা বেগম এখনও বেঁচে আছেন। ২৪ এপ্রিল ভবন ধসের পর ২৭ এপ্রিল প্রচার করা হয় রানার মা মারা গেছেন।

savar-21

মানুষের মৃত্যু নিয়েও হলো ছলচাতুরি! মৃত্যুর খবর কেও কখনও ভুয়া দিতে পারে তা কারোই জানা ছিল না। এবার ঠিক তাই ঘটলো। যদি এটি নিয়েও বেশ বিতর্ক রয়েছে। মৃত্যু খবর ছড়িয়ে সুযোগ নেওয়ার অভিযোগ তুলছেন এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে।

২৪ এপ্রিল ভবন ধসের ৩ দিন পর ২৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে খবর প্রচার পেলেও এর কোনো সত্যতা মিলছে না। দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত মর্জিনার চিকিৎসা হয়েছে দেশ-বিদেশে। বিছানায় শয্যাশয়ী মর্জিনা মারা গেছেন এ খবর প্রচার পেলে রানা পরিবারের চেনাজানা অনেকেই তা বিশ্বাস করেন। কিন্তু তিনি কোথায় মারা গেছেন, কোথায় দাফন হয়েছে তা কেও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। যা প্রচার পেয়েছে তা গুজব ও অনুমান নির্ভর বলে জানা গেছে।

পত্রিকার এক তথ্যে জানা যায়, রানা ও তার বাবাকে না পেয়ে তার চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর, তার স্ত্রী মুন্নি, রানার এক চাচী, রানার স্ত্রী মিতু, ফুপা আনোয়ার হোসেন, রানার ভায়রার (তার নামও রানা) ভাইকে আটক করা হয়। এতেও বাবা-ছেলে ধরা না পড়লে রানার মায়ের মৃত্যুর খবর ছড়ানো হয়। রানার বাসা সাভার বাজার রোডের মর্জিনা ভিলা। তাদের গ্রামের বাড়ি সিঙ্গাইর জয়মন্ডব গ্রামে। রানার শ্বশুরবাড়ি ডগর মোড়া। রানার বড় বোন রওশন আরা বাজার রোডের বাসায় এবং ছোটবোন সুমি থাকেন ছায়াবিথী শ্বশুরবাড়িতে। এরা কেওই বাড়িতে নেই বলে সূত্র উল্লেখ করেছে।

সুমি ও তার স্বামী রনি আত্মগোপনে আছেন। সুমির শ্বশুর ডা. শ্যামল গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ প্রতিবেদককে জানান, বেয়াইন মারা গেছেন এমন খবর পেলে তিনি একজন মুসলমান হিসেবে অবশ্যই জানাজায় যেতেন। মারা যাওয়ার কোনো খবর তার জানা নেই। এমনকি জয়মন্ডবে রানাদের গ্রামের বাড়িতে ‘কবর দেয়ার’ খবরও সঠিক নয়। সব গুজব। তবে মর্জিনা বেগম কোথায় আছেন এ প্রশ্ন তিনি এড়িয়ে যান।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রানার মা মারা যাওয়ার খবর প্রচার ছিল আসলে রানাকে আটকের কৌশল। মায়ের মৃত্যুর খবরে রানা বাড়িতে ছুটে গেলে কিংবা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ শুরু করলে তাকে দ্রুত আটকের জন্য একটি মহল এ প্রচারণা চালায় বলে রানা পরিবারের ঘনিষ্ঠরা মনে করছেন।

ঘটনা যায়ই ঘটুক না কেনো। একজন মানুষের মৃত্যু খবর নিয়ে ছলচাতুরি কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ভোরের কাগজ।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx